
বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ঘিরে তৈরি হয়েছে এক ব্যতিক্রমী আবহ। এই লড়াই কেবল দুই দেশের নয়, বরং একই ক্লাবের দুই সতীর্থের মুখোমুখি অবস্থানেরও মঞ্চ। অ্যাস্টন ভিলার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেজ এবং ডিফেন্ডার এজরি কনসা সারা মৌসুম কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে খেললেও, বুধবারের সেমিফাইনালে তারা থাকছেন দুই বিপরীত শিবিরে। ম্যাচের আগে কনসা স্পষ্ট করে দিয়েছেন, মাঠের লড়াইয়ে বন্ধুত্বের কোনো জায়গা নেই।
আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে কনসা জানান, তিনি এখনও দিবুর সঙ্গে কথা বলেননি। অনেক দিন পর সতীর্থের সঙ্গে দেখা হওয়ার বিষয়টি আনন্দদায়ক হলেও, মাঠে পা রাখার পর ব্যক্তিগত সম্পর্কের চেয়ে নিজেদের খেলার ওপরই সম্পূর্ণ মনোযোগ দিতে চান তিনি। কনসার কথায়, ‘মাঠে পা রাখার পর সেখানে কোনো বন্ধু থাকে না। প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করা গুরুত্বপূর্ণ, তবে এখন আমাদের শুধু নিজেদের খেলায় মনোযোগ দিতে হবে।’
আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচকে ঘিরে ঐতিহাসিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয়টি আলোচনায় থাকলেও কনসা মনে করেন, অতীত নয়, বর্তমানের পারফরম্যান্সই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ইতিহাসের কথা ভুলে গিয়ে মাঠে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।
ইংল্যান্ড শিবিরে জুড বেলিংহামের মন্তব্য এবং কোচ থমাস টুখেলের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে দলের ভেতর মতবিরোধের যে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল, তা পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছেন কনসা। তিনি জানান, দলের পরিবেশ অত্যন্ত চমৎকার এবং কোনো ধরনের সমস্যা নেই। এই টুর্নামেন্টে মানসিক দৃঢ়তাই সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে কাজ করেছে এবং বাইরের কোনো আলোচনা তাদের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলছে না বলেও মন্তব্য করেন এই ডিফেন্ডার।