
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিগগিরই একটি দ্বিপক্ষীয় সফরে নয়াদিল্লি যেতে পারেন। বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্র টাইমস নাওকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কে অবনতি রোধে কূটনৈতিক যোগাযোগ জোরদারের উদ্যোগের অংশ হিসেবেই এই সফরের খবর সামনে এলো।
তবে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশ নেয়ার সম্ভাবনা ‘প্রায় নিশ্চিতভাবেই নেই’ বলে ঢাকার পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে। দ্বিপক্ষীয় সফর এবং ব্রিকসের আউটরিচ অধিবেশন উভয়ের জন্যই আমন্ত্রণ পেলেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং শেখ হাসিনা ইস্যুর কারণে তার সম্মেলনে যোগ দেয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বহুপক্ষীয় ব্রিকস সম্মেলনের রাজনৈতিক আবহ এড়িয়ে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে একটি স্বতন্ত্র দ্বিপক্ষীয় সফরের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, বৈঠকটি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করা হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই স্পষ্ট হবে যে, হাইকমিশনার ত্রিবেদীর সাম্প্রতিক এই কূটনৈতিক উদ্যোগ দুই দেশের সম্পর্কে কতটা কার্যকর পরিবর্তন আনতে পারে। একই সঙ্গে ভারতের আইনি ও প্রক্রিয়াগত সীমাবদ্ধতার সঙ্গে বাংলাদেশের শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবি কীভাবে সমন্বয় করা হয় এবং সীমান্ত নিরাপত্তা ও গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তির মতো অমীমাংসিত বিষয়গুলোতে কতটা অগ্রগতি হয়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।