
আগামী বছরের ৬ জুনের আগেই সব ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৭ পিএম) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিভিন্ন অংশীদারের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে এই সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো আসন্ন উপনির্বাচনগুলোতেও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে। উপনির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। এছাড়া নির্বাচনে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে একটি সুন্দর নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কমিশন।
নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কমিশন বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে বলে জানান সানাউল্লাহ। বন্যায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা খাতে যে বিপর্যয় ঘটেছে, তা কাটিয়ে ওঠার প্রক্রিয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এখন ব্যস্ত। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষ কমিশনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে যেন কোনোভাবেই পরীক্ষার কার্যক্রমে ব্যাঘাত না ঘটে। নির্বাচন কমিশনার এই উদ্বেগকে অত্যন্ত যৌক্তিক হিসেবে অভিহিত করে তা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।
কমিশনার জানান, নভেম্বরের পুরো সময় ও ডিসেম্বর মাসে বিভিন্ন স্তরের পরীক্ষা থাকায় সময় পাওয়া কঠিন। জানুয়ারিতে কিছুটা সময় থাকলেও ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরু হচ্ছে, যার পরপরই রয়েছে এসএসসি পরীক্ষা। এসএসসি শেষ হওয়া এবং ৬ জুন এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর মধ্যবর্তী সময়ের সুযোগ কাজে লাগানোর চিন্তা করছে কমিশন।
নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা সম্পর্কে তিনি বলেন, বাজেট পরিকল্পনা এবং সাচিবিক পর্যায়ের প্রয়োজনীয় সমন্বয় সম্পন্ন হওয়ার পর কমিশন বৈঠকে তারিখ নির্ধারিত হবে। আপাতত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, তবে আইন অনুযায়ী অন্যান্য নির্বাচনও যথাসময়ে সম্পন্ন করা হবে।
নির্বাচনের উপযুক্ত সময় খুঁজে পাওয়া প্রসঙ্গে কমিশনার বিস্তৃত সময়সূচির চিত্র তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, পুরো নভেম্বর ও ডিসেম্বর জুড়েই বিভিন্ন স্তরের পরীক্ষা চলায় সময় পাওয়া অত্যন্ত দুষ্কর। জানুয়ারিতে কিছুটা ফাঁকা সময় মিললেও ৭ বা ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে পবিত্র রোজা। রোজার ছুটির পরপরই শুরু হবে এসএসসি পরীক্ষা। অন