তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে দূর হবে বন্যা ও খরা: ত্রাণমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৭:০২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১১, ২০২৬

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের বন্যা ও খরার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দূর হবে এবং এই অঞ্চল একটি সমৃদ্ধ জনপদে পরিণত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি জানান, দেশের উত্তর জনপদের ভাগ্য ও সমৃদ্ধির সঙ্গে এই মহাপরিকল্পনা নিবিড়ভাবে জড়িত। এ কারণে বর্তমান দেশপ্রেমিক ও গণতান্ত্রিক সরকার এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্পূর্ণ অঙ্গীকারবদ্ধ।

রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে আয়োজিত এক বিশেষ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘স্থানীয় পর্যায়ে বন্যার আগাম সতর্কতা ও প্রচার ব্যবস্থার উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের অগ্রগতি অবহিতকরণের উদ্দেশ্যে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এটি মূলত ‘প্রভাতী’ বা ‘অবকাঠামোগত দক্ষতা উন্নয়ন ও তথ্যের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা বৃদ্ধি’ প্রকল্পের আওতাভুক্ত একটি উদ্যোগ।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে দেশের মানুষের লড়াইয়ের কথা উল্লেখ করে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ষড়ঋতুর এই বাংলাদেশে দুর্যোগের সঙ্গেই আমাদের বেড়ে ওঠা। প্রতিনিয়ত এখানে নানা ধরনের দুর্যোগ আঘাত হানে। আর এসব দুর্যোগের কবলে পড়ে যারা সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হন, তাদের পাশে আশার আলো নিয়ে দাঁড়ায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

আসাদুল হাবিব দুলু জানান, দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বন্যাপ্রবণ তিন জেলা—গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম ও জামালপুরের ১৯টি উপজেলায় এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এই প্রকল্প স্থানীয় পর্যায়ে মৌসুমী বন্যার আগাম পূর্বাভাস ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাচ্ছে এবং সতর্কবার্তা প্রচারের মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দাদের বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় সরাসরি সহায়তা করছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমানের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন। এছাড়া কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব এবিএম সফিকুল হায়দার এবং এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন প্রমুখ।