জ্বালানি ও গ্যাসের দাম বাড়ায় বরিশালে হোটেল খাবারে বাড়তি খরচ প্রকাশিত: ১০:০৭ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৩, ২০২৬ জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং এলপিজি গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণে বরিশালের হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীরা চরম চাপের মুখে পড়েছেন। রান্নার খরচ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা খাবারের দাম সমন্বয় করতে বাধ্য হয়েছেন। কোনো কোনো রেস্তোরাঁয় খাবারের দাম বাড়ানোর পরিবর্তে খাবারের আকার ছোট করে দেওয়া হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ৫ টাকার পুরি ও শিঙাড়ার আকার আগের চেয়ে ছোট করা হয়েছে, আর ১০ টাকার পরোটা এখন ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও মাছ ও মাংসসহ অন্যান্য খাবারের দাম জনপ্রতি ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। একই সময়ে নগরীতে এলপিজি গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। অধিকাংশ খুচরা দোকানে ১২ কেজির সিলিন্ডার মিলছে না এবং হাতেগোনা কয়েকটি দোকানে পাওয়া গেলেও তা ২ হাজার টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এলপিজি ডিলারদের মতে, প্রায় এক মাস ধরে কোম্পানিগুলো চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ করতে পারছে না। পাইকারি পর্যায়েও দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। সান গ্যাসের বরিশাল ডিলার জুয়েল জানান, ২৬ সেপ্টেম্বর পাইকারি বাজারে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৫৫ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৬৪০ টাকা করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, গ্যাস না পাওয়ায় অনেক ঘুরে বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে তাদের। ২০ সেপ্টেম্বর দেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানো হয়। রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী নুরু মিয়া জানান, জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দাম বাড়ার পাশাপাশি কর্মচারীর বেতন ও কাঁচামালের খরচ বেড়ে যাওয়ায় আগের দামে খাবার বিক্রি করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগের সহকারী পরিচালক ইন্দ্রানী দাস জানিয়েছেন, এ বিষয়ে দ্রুত তদারকি চালানো হবে। SHARES অন্যান্য বিষয়: এলপিজি গ্যাসখাবারের দামজ্বালানি তেলবরিশালহোটেল রেস্তোরাঁ