মেসির জাদুতে ফাইনালে আর্জেন্টিনা, ইংলিশদের বিদায় প্রকাশিত: ৯:০৪ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১৬, ২০২৬ মেসিই সেরা এবং মেসি অপ্রতিরোধ্য। এক গোলে পিছিয়ে থেকেও আর্জেন্টিনা যেভাবে ম্যাচে ফিরেছে, তার মূল কারিগর ছিলেন লিওনেল মেসি। তার নিখুঁত পাস থেকেই গোলগুলো করেছেন এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্টিনেজ। এই জয়ে আর্জেন্টিনা এখন ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হবে। এটি যেন আর্জেন্টিনার এক ঐতিহাসিক ফিরে আসার গল্প। মেসির জন্য ইংলিশ পরীক্ষাটি কঠিন ছিল, কিন্তু সেমিফাইনালে তাদের গুঁড়িয়ে দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন যে মেসির বিকল্প কেবল মেসিই। ম্যাচের ৫৫ মিনিটে ইংলিশ ফরওয়ার্ড অ্যান্থনি গর্ডন গোল করার পর ইংল্যান্ড পুরোদমে রক্ষণাত্মক হয়ে পড়ে এবং অগোছালো ফুটবল খেলতে শুরু করে, যার পূর্ণ সুযোগ নেন মেসি। ইংলিশ কোচ থমাস টুখেলের কৌশল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে; ডিফেন্সে ছয়জন খেলোয়াড় রেখে তারা বড় ভুলের খেসারত দিয়েছে। গোল খাওয়ার পর মেসি আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন এবং পুরো মাঠ জুড়ে দাপট দেখান। যদিও ইংলিশ গোলকিপার পিকফোর্ড নিশ্চিত তিনটি গোল রুখে দেন, তবুও শেষরক্ষা হয়নি। ৫৮ মিনিটে আর্জেন্টিনার একটি নিশ্চিত আক্রমণ বানচাল করেন ইংলিশ ডিফেন্ডার জেড স্পেনস, যিনি ইংল্যান্ডের প্রথম মুসলিম খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে নজর কেড়েছেন। খেলার শুরু থেকেই উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা ১২টি এবং ইংল্যান্ড ৭টি ফাউল করে। ম্যাচে মোট চারটি হলুদ কার্ড দেখানো হয়, যার তিনটিই ছিল আর্জেন্টিনার দখলে। ৬০ বছর ধরে ইতিহাস বদলানোর লড়াইয়ে নামা ইংল্যান্ডের ভাগ্য বদলায়নি। শ্বাসরুদ্ধকর এই ম্যাচ শেষে গ্যালারি জুড়ে ওলে ওলে ধ্বনিতে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। ৩৯ বছর বয়সে মেসির এই পারফরম্যান্স ফুটবল ইতিহাসে এক অনন্য নজির। ম্যাচ শেষে বিবিসি ওয়ানের কাছে ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন বলেন, দলের জন্য এবং কোচিং স্টাফের জন্য এটি হৃদয়বিদারক। ১-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর তারা লিড ধরে রাখার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু এই পর্যায়ের ফুটবলে তা যথেষ্ট ছিল না। কেইন আরও জানান, প্রথমার্ধে বলের ওপর চাপ তৈরি করতে তাদের সমস্যা হচ্ছিল এবং গোল হজম করার পর তারা খেলার গতি ও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। ছেলেরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তা লক্ষ্য পূরণের জন্য যথেষ্ট ছিল না। SHARES ফুটবল বিষয়: আর্জেন্টিনাইংল্যান্ডফুটবলবিশ্বকাপমেসি