মিষ্টির শূন্য আসনে উপ-নির্বাচনে বিএনপি জোটের প্রার্থীই লড়বে প্রকাশিত: ৭:৩১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১, ২০২৬ রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভাঙচুর ও দখলের ঘটনায় নাম জড়ানোর পর সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পদত্যাগ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গত ১ অক্টোবর তিনি স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর নির্বাচন কমিশন (ইসি) আসনটি শূন্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছে। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে এই আসনে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংরক্ষিত নারী আসনের এই উপ-নির্বাচনে জামায়াত জোট অংশ নিতে পারবে না। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আসন বণ্টনের নিয়ম অনুযায়ী, এই আসনটি বিএনপি জোটের অধীনে ছিল এবং উপ-নির্বাচনে কেবল বিএনপি জোটই প্রার্থী দিতে পারবে। সেই হিসেবে বিএনপির সংসদে প্রতিনিধি ছিল ২০৮ জন (২০৮), এনসিপির ছয় জন, জামায়াতের ৬৮ জন। আইন অনুযায়ী, যে রাজনৈতিক দল বা জোটের অনুকূলে আসনটি বরাদ্দ ছিল, উপ-নির্বাচনে সেই জোটের মনোনীত প্রার্থীই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এবং কেবল ওই জোটেরই ভোটাররা ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। আইনের ২৭ ধারা অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসন শূন্য হলে নব্বই দিনের মধ্যে উপ-নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয়। ইসি সচিব আখতার আহমেদের তথ্যমতে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে বিএনপি জোট ৩৬টি এবং জামায়াতে ইসলামী জোট ১৩টি সংরক্ষিত আসন পেয়েছিল। যেহেতু মিষ্টি বিএনপি জোটের মনোনীত এমপি ছিলেন, তাই তার পদত্যাগের পরও আসনটি বিএনপি জোটের দখলেই থাকছে। যদি একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেয়, তবেই ভোট গ্রহণ করা হবে। অন্যথায় একক প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন। উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট হয়েছিল। শেরপুর-৩ আসনে প্রার্থীর মৃত্যু এবং চট্টগ্রাম-২ ও ৪ আসনে আইনি জটিলতার কারণে ভোট স্থগিত ছিল। নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আইন অনুযায়ী আসনটি শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। SHARES রাজনীতি বিষয়: উপ-নির্বাচনজামায়াতনির্বাচন কমিশনফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিবিএনপি জোটসংসদ