আমেরিকার আকাশে দুই এলিয়েন প্রজাতির যুদ্ধ চলছে, দাবি ইউএফও তথ্য ফাঁসকারীর প্রকাশিত: ৯:৩৩ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৪, ২০২৬ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের ঠিক ওপরে আকাশে দুটি ভিন্ন ভিনগ্রহী বা এলিয়েন প্রজাতির মধ্যে গোপন যুদ্ধ চলছে বলে দাবি করেছেন এক ইউএফও তথ্য ফাঁসকারী (হুইসেলব্লোয়ার)। জনপ্রিয় পডকাস্টার জো রোগানের ‘দ্য জো রোগান এক্সপেরিয়েন্স’ অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন ডেভিড গ্রুশ নামের সাবেক এক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা। তাঁর এই অদ্ভুত দাবি শুনে পডকাস্টের সঞ্চালক জো রোগান পুরোপুরি স্তম্ভিত হয়ে যান। গ্রুশের মতে, প্রযুক্তিগত দ্বন্দ্ব ও নিজস্ব কৌশলগত পার্থক্যের কারণে গোপনে এই সংঘর্ষ চলছে, যা সাধারণ মানুষের চোখের আড়ালে কিংবা গোপন সংকেতের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। ইউএফও স্বচ্ছতার বিষয়ে বর্তমানে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের সহায়তা করছেন ডেভিড গ্রুশ। তিনি দাবি করেন, ‘গ্রে’ এবং ‘রেপটিলিয়ান’ নামের দুটি এলিয়েন প্রজাতির এই যুদ্ধের ফলে ইতিমধ্যে কমপক্ষে এক বা দুই ডজন মহাকাশযান বিধ্বস্ত হয়েছে। এর আগে ২০২৩ সালে গ্রুশ শপথ নিয়ে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন যে, মার্কিন সরকার কয়েক দশক ধরে গোপনে অ-মানবীয় মহাকাশযান উদ্ধার এবং সেগুলোর প্রযুক্তি রিভার্স-ইঞ্জিনিয়ারিং বা গোপন প্রযুক্তি বোঝার প্রক্রিয়া পরিচালনা করছে। পৃথিবীর আকাশে অ-মানবীয় বুদ্ধিমত্তার (NHI) মধ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: ‘আমরা তা নথিবদ্ধ করেছি… যাকে আমরা যুদ্ধ হিসেবে দেখি। এটি সংঘাতের মতোই মনে হয়, সংঘাতের মতোই এর রূপ।’ গ্রুশ জানান, দুর্ঘটনাস্থলে মৃত রেপটিলিয়ান এবং গ্রে এলিয়েনের লাশ উদ্ধারের বিষয়ে তাকে অবহিত করা হয়েছিল। রোগান তখন বলেন, ‘তাহলে গ্রে এবং রেপটিলিয়ানরা নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি বা যুদ্ধ করছিল?’ গ্রুশ হাত তুলে উত্তর দেন, ‘আমারও তা-ই মনে হয়।’ তা শুনে চোখ কপালে তুলে রোগান প্রতিক্রিয়া জানান: ‘বাহ্! ডেভিড, এটা শুনে তো একদম পাগলামি মনে হচ্ছে।’ গ্রুশ জানান, মৃত রেপটিলিয়ানের লাশের পাশে ‘টিক ট্যাক’ আকৃতির একটি যান পাওয়া গিয়েছিল। এই বিবরণটি ২০০৪ সালে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার উপকূলে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়। সে সময় মার্কিন কমান্ডার ডেভিড ফ্র্যাভর এবং তাঁর দল টিক ট্যাক লজেন্সের মতো মসৃণ ও সাদা একটি উড়ন্ত বস্তু দেখার দাবি করেছিলেন। প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ ফুট দীর্ঘ ওই যানটিতে কোনো দৃশ্যমান ডানা, লেজ, নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বা ধোঁয়া নির্গমনের পথ ছিল না। কথিত রেপটিলিয়ান প্রাণীদের চেহারা সম্পর্কে গ্রুশ তাঁর এক বন্ধুর কাছ থেকে পাওয়া বিবরণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এরা উচ্চতায় সাত ফুটেরও বেশি লম্বা এবং এদের ত্বক কিছুটা গরিলাদের মতো। তবে এগুলোর বিভিন্ন ধরন রয়েছে, যার কিছু দেখতে মানুষের কাছাকাছি। অন্যদিকে ‘গ্রে’ এলিয়েনদের মধ্যেও তুলনামূলক লম্বা এবং ছোট আকৃতির প্রজাতি রয়েছে। তবে গ্রুশ জোর দিয়ে বলেন, তিনি নিজে কখনো সরাসরি এদের মুখোমুখি হননি; বরং অন্যদের অভিজ্ঞতা এবং বিভিন্ন অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে এই তথ্য দিচ্ছেন। ২০২৫ সালে ক্যাপিটল হিলে আয়োজিত একটি শুনানিতে যে চারটি এলিয়েন প্রজাতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল, তার মধ্যে গ্রে এবং রেপটিলিয়ান অন্যতম। এর আগে পেন্টাগনের অতি-গোপন প্রকল্পে কাজের জন্য পরিচিত পদার্থবিজ্ঞানী ড. এরিক ডেভিস এক ব্রিফিংয়ে ভিনগ্রহী প্রজাতি হিসেবে ‘গ্রে, নরডিকস, ইনসেক্টয়েডস এবং রেপটিলিয়ানস’—এই চারটির নাম উল্লেখ করে শ্রোতাদের চমকে দিয়েছিলেন, যা অজ্ঞাত যান পরিচালনা করতে পারে বলে ধারণা করা হয়। একজন ইউএফও (উএফও (UFO) হলো ইংরেজিতে Unidentified Flying Object-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। বাংলায় এর সহজ অর্থ হলো ‘অজ্ঞাত উড়ন্ত বস্তু’ বা ‘অচিহ্নিত উড়ন্ত বস্তু’) তথ্য ফাঁসকারী (Whistleblower) দাবি করেছেন যে, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে, বিশেষ করে আমেরিকার ঠিক ওপরে দুটি ভিন্ন এলিয়েন বা ভিনগ্রহী প্রজাতির মধ্যে যুদ্ধ চলছে। জনপ্রিয় পডকাস্টার জো রোগান তার পডকাস্টে এই বিস্ময়কর ও অদ্ভুত দাবিটি শুনে পুরোপুরি হতবাক হয়ে যান। ওই তথ্য ফাঁসকারীর মতে, এই প্রজাতিগুলোর মধ্যে প্রযুক্তিগত দ্বন্দ্ব এবং তাদের নিজস্ব কৌশলগত পার্থক্যের কারণে গোপনে এই সংঘর্ষ ঘটছে, যা সাধারণ মানুষের চোখের আড়ালে বা গোপন সংকেতের মাধ্যমে চালিত হচ্ছে। গ্রুশ রোগানকে বলেন, অ-মানবীয় সত্তাদের মধ্যকার সংঘাতের সাথে জড়িত ‘কমপক্ষে এক ডজন বা দুই ডজন’ দুর্ঘটনাস্থল সম্পর্কে তিনি জানেন। রোগান তখন জিজ্ঞেস করেন, মৃত রেপটিলিয়ান লাশের পাশে কী ধরণের যান পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে? গ্রুশ জানান, সেটি ছিল একটি ‘টিক ট্যাক’ (Tic Tac) আকৃতির যান। এই বিবরণটি ২০০৪ সালে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার উপকূলে ঘটে যাওয়া সেই ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়, যেখানে কমান্ডার ডেভিড ফ্র্যাভর বলেছিলেন যে তিনি এবং তার দল টিক ট্যাক লজেন্সের মতো মসৃণ, সাদা একটি বস্তু দেখেছিলেন। প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ ফুট লম্বা ওই যানটিতে কোনো দৃশ্যমান ডানা, লেজ, নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বা ধোঁয়া নির্গমনের পথ ছিল না। SHARES অন্যান্য বিষয়: আমেরিকাইউএফওএলিয়েনজো রোগানডেভিড গ্রুশমহাকাশযান