গ্রামপুলিশের বেতন ও ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রকাশিত: ২:৪৪ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৭, ২০২৬ রাজধানীর তেজগাঁওয়ে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত গ্রামপুলিশের মহাসমাবেশে সংস্থাটির সদস্যদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। (সংবাদটি প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৪৫ পিএম)। শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে আয়োজিত এই মহাসমাবেশে তিনি জানান, সাধারণ গ্রামপুলিশ সদস্য ও গ্রামপুলিশ প্রধানদের মাসিক বেতন এবং অবসরকালীন আনুতোষিক বাড়ানোর এ সিদ্ধান্ত ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর থেকেই কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, সাধারণ গ্রামপুলিশ সদস্যদের মাসিক বেতন ৭ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়েছে। অন্যদিকে গ্রামপুলিশ প্রধানদের বেতন ৮ হাজার টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ১১ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের অবসরকালীন আনুতোষিকের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। সাধারণ সদস্যদের আনুতোষিক ৭০ হাজার টাকার পরিবর্তে ৮০ হাজার টাকা এবং গ্রামপুলিশ প্রধানদের ক্ষেত্রে তা ৮০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করা হয়েছে। সমাবেশে বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও গ্রামের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রামপুলিশের ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের সুবাদে তৃণমূলের কোথায় কী ঘটছে, কারা কোন ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার ঝুঁকি আছে কি না—সে সংক্রান্ত আগাম খবর গ্রামপুলিশ সদস্যরা পেয়ে থাকেন। এই তথ্য সময়মতো স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে পৌঁছালে জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিতে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়। সামাজিক পরিস্থিতির ওপর আলোৎপাত করতে গিয়ে তারেক রহমান উল্লেখ করেন, বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে শুধু রাজনৈতিক ব্যবস্থারই ক্ষতি করা হয়নি, বরং রাষ্ট্র ও সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে সামাজিক অবক্ষয় ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। হীনস্বার্থ ও গোষ্ঠীগত বিভেদ উসকে দিয়ে দীর্ঘকালের সামাজিক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বিনষ্ট করা হয়, যা মাঠপর্যায়ে পরিবারগুলোর মধ্যেও বিরোধ সৃষ্টি করে প্রতিশোধের পরিবেশ তৈরি করেছিল। এই ধরনের অবক্ষয় থেকে সমাজকে রক্ষা করতে কেবল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপই যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইনি সক্রিয়তার পাশাপাশি ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ পুনপ্রতিষ্ঠা করা জরুরি। মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও সহমর্মিতার সংস্কৃতি আবার তৈরি হলে সামাজিক অপরাধের মাত্রা অনেকাংশে কমে আসবে। এই মূল্যবোধ পুনর্জীবিত করার ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি হিসেবে গ্রামপুলিশের কার্যকর অবদান রাখার বড় সুযোগ রয়েছে। SHARES জাতীয় বিষয়: অবসরকালীন আনুতোষিকগ্রামপুলিশজাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডতারেক-রহমানপ্রধানমন্ত্রীবেতন বৃদ্ধি