সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে পর্যায়ক্রমে প্রশাসক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত প্রকাশিত: 6:00 PM, July 21, 2026 আর্থিক খাতের পুনর্গঠন কার্যক্রমের নতুন অগ্রগতি হিসেবে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের অন্তর্ভুক্ত পাঁচটি ব্যাংক থেকে পর্যায়ক্রমে প্রশাসক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, চলতি জুলাই মাসের শেষ দিক থেকে প্রশাসকদের কাছ থেকে পর্যায়ক্রমে দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংকগুলোর পুনর্গঠন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম জোরদার করা হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রত্যাশা, পরিস্থিতির উন্নতি হলে আমানতকারীরা তাদের জমাকৃত অর্থ প্রতিশ্রুত মুনাফাসহ ফেরত পাবেন। এই লক্ষ্য অর্জনে ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদে আরও অভিজ্ঞ সদস্য যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আওতাভুক্ত পাঁচ ব্যাংকের ভুক্তভোগী গ্রাহকরা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। তারা হেয়ারকাট নীতি বাতিল, এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার এবং প্রতিশ্রুত মুনাফাসহ আমানতের অর্থ ফেরত পাওয়ার দাবি জানান। উল্লেখ্য, গত বছর তারল্য সংকট, আর্থিক দুর্বলতা, অনিয়ম ও সুশাসনের ঘাটতির কারণে এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক এবং ইউনিয়ন ব্যাংককে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার পরিকল্পনা নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ প্রক্রিয়া তদারকির জন্য প্রতিটি ব্যাংকে একজন করে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে গত ৮ জুন কাজী শায়রুল হাসানকে চেয়ারম্যান এবং আবেদুর রহমান সিকদারকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। বর্তমানে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ৪০ হাজার কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি টাকা। পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সরকার ইতিমধ্যে ১০ হাজার কোটি টাকার সুকুক বন্ডের মাধ্যমে বিনিয়োগ করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে, পুনর্গঠন কার্যক্রম সফল হলে ব্যাংকের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে এবং আমানতকারীরা তাদের আমানতের অর্থ প্রতিশ্রুত মুনাফাসহ ফেরত পাবেন। SHARES অর্থনীতি বিষয়: ইসলামী ব্যাংকপুর্নগঠনপ্রশাসকবাংলাদেশ-ব্যাংকব্যাংকিং খাত