৩০ জুলাই ১৮ ঘণ্টা সিএনজি স্টেশন বন্ধের ডাক প্রকাশিত: 9:01 PM, July 21, 2026 সিএনজি বিক্রিতে কমিশন বৃদ্ধি এবং সরকারি ফি পুনর্নির্ধারণসহ চার দফা দাবি আদায়ে আগামী ৩০ জুলাই সারাদেশে ১৮ ঘণ্টার ধর্মঘট পালন করবে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাজধানীর বিজয়নগরের আকরাম টাওয়ারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন স্টিয়ারিং কমিটির আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান চৌধুরী। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ৩০ জুলাই ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত সারাদেশের সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হবে। সংগঠনের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে, দাবিগুলো পূরণ না হলে আগামী ২৩ আগস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সিএনজি স্টেশনগুলো বন্ধ রাখা হবে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে কমিশন ৮ টাকা নির্ধারিত রয়েছে। তবে দীর্ঘ ১১ বছরে শ্রমিকের মজুরি, যন্ত্রাংশের দাম এবং পরিচালন ব্যয় বহুগুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় কমিশন বাড়িয়ে ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা করার দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া গ্যাসের দাম বাড়লে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমিশন সমন্বয়, পুরোনো গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত জামানত আদায় বন্ধ এবং সওজ বিভাগের জমি ইজারা ফি ও সরকারি লাইসেন্স ফি যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনার দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি। অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ফারহান নূর বলেন, এই দাবিগুলো অতিরিক্ত মুনাফার জন্য নয়, বরং ব্যবসার পরিচালন ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে টিকে থাকার জন্য উত্থাপন করা হয়েছে। বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই দাবিগুলো অত্যন্ত যৌক্তিক বলেও তিনি উল্লেখ করেন। সংগঠনের নেতারা অভিযোগ করেন, জ্বালানি মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) দীর্ঘসময় ধরে আবেদন করেও কোনো কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়নি। এ কারণেই গত ১৮ জুলাই জরুরি সাধারণ সভায় স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করে আন্দোলনের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি মনোরঞ্জন ভক্তসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তবে ধর্মঘট চললেও সরকারের সঙ্গে আলোচনার পথ খোলা থাকবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। SHARES জাতীয় বিষয়: জ্বালানিধর্মঘটমালিক সমিতিসিএনজি