অর্থবছরের শুরুতেই তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা প্রকাশিত: ১:৩২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৪, ২০২৬ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই দেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি খাতে নেতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে পোশাক খাত থেকে মোট ৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় অর্জিত হয়েছে। এই আয় আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ১ দশমিক ৯২ শতাংশ কম। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাই মাসে মোট ৩৮৮ কোটি ৬৭ লাখ ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে, যেখানে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে এই আয় ছিল ৩৯৬ কোটি ২৭ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় কমেছে প্রায় ৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার। পোশাক শিল্পের দুটি প্রধান উপখাত—নিটওয়্যার ও ওভেন—উভয় ক্ষেত্রেই রপ্তানি কমেছে। তবে ওভেন পোশাকের রপ্তানি হ্রাসের হার নিটওয়্যারের তুলনায় বেশি হওয়ায় সামগ্রিক আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। আলোচ্য সময়ে নিটওয়্যার রপ্তানি হয়েছে ২১৫ কোটি ৯১ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের ২১৭ কোটি ৮৭ লাখ ডলার থেকে শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ কম। অন্যদিকে, ওভেন গার্মেন্টস রপ্তানি হয়েছে ১৭২ কোটি ৭৭ লাখ ডলার, যা গত বছরের ১৭৮ কোটি ৪০ লাখ ডলারের তুলনায় ৩ দশমিক ১৬ শতাংশ কম। প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট রপ্তানির প্রায় ৫৬ শতাংশ এসেছে নিটওয়্যার খাত থেকে এবং প্রায় ৪৪ শতাংশ এসেছে ওভেন পোশাক থেকে। নিটওয়্যার খাত তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও ওভেন খাতের দুর্বলতা সামগ্রিক পোশাক রপ্তানিকে নিম্নমুখী করেছে। তবে শিল্পসংশ্লিষ্টরা বর্তমান পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার বিষয়ে আশাবাদী। তারা মনে করছেন, বছরের দ্বিতীয়ার্ধে বড়দিন ও বসন্তকালীন মৌসুমের অর্ডার বৃদ্ধি পেলে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি আবার ইতিবাচক ধারায় ফিরবে। এজন্য তারা উৎপাদন সক্ষমতা বজায় রাখা, নতুন বাজারে প্রবেশ এবং উচ্চমূল্যের পণ্যের অংশ বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। SHARES অর্থনীতি বিষয়: অর্থনীতিইপিবিওভেন পোশাকতৈরি পোশাকনিটওয়্যাররপ্তানি আয়