চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান থেকে আসা ১৫০ টন কাঁচা তামাক আটক প্রকাশিত: ৮:৩১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৯, ২০২৬ চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পাকিস্তান থেকে আসা ১৫০ টন কাঁচা তামাকের একটি বড় চালান আটক করা হয়েছে। পণ্যের পরিমাণে ব্যাপক অসঙ্গতি এবং বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকির আশঙ্কায় এই চালানটি জব্দ করা হয়। গত ১৭ অক্টোবর পাকিস্তান থেকে ছেড়ে আসার পর ১৯ অক্টোবর পণ্যবাহী জাহাজটি বন্দরে পৌঁছায়। এরপর চালানটির বিল অব এন্ট্রি জমা দেওয়া হলেও এখনো কাস্টমস প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। এর আগেই বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসায় তারা হস্তক্ষেপে বাধ্য হন। ১০ দিন আগে এসব পণ্য পাকিস্তান থেকে বন্দরে এসেছে। কিছু আমদানিকৃত পণ্য অপসারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকালে নগরীর আগ্রাবাদের সিজিও ভবনে-২ এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। এর আগে ২৮ অক্টোবর ২৮ সদস্যের একটি কাস্টমস এক্সাইজ দল ‘গ্লোবাল লিফ ট্যোবাকো লিমিটেড’ নামক প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায়। অভিযানে তারা প্রতিষ্ঠানের সব নথি, রক্ষিত পণ্য ও কাঁচামালের মজুত যাচাই-বাছাই করেন। জানা গেছে, কাস্টমস এক্সাইজের ২৮ সদস্যের একটি দল গত ২৮ অক্টোবর ওই প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনকালে হিসাবের চেয়ে ২ লাখ ৫৭ হাজার ৩৬৯ কেজি কাঁচা তামাক কম পাওয়া যায় এবং ১৭ লাখ ২৫ হাজার ৬৭২ কেজি সেমি-প্রক্রিয়াজাত তামাক বেশি পাওয়া যায়। এই দুই ধরনের পণ্যের গরমিলের কারণে তিন কোটি ২৯ লাখ ৯ হাজার টাকা রাজস্ব বা মূসক ফাঁকির প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। সংবাদ সম্মেলনে অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহম্মেদ জানান, প্রতিষ্ঠানটির বন্ড লাইসেন্স সুবিধার অপব্যবহারের সুনির্দিষ্ট তথ্য তাদের হাতে রয়েছে। অনেক পণ্য হিসাবের চেয়ে বেশি পাওয়ায় তার কোনো বৈধ দলিল দেখাতে পারেনি সংশ্লিষ্ট পক্ষ। তিনি আরও জানান, উদ্ধার করা এই কাঁচামাল ব্যবহার করে ২১ কোটি ৪৩ লাখ শলাকা প্রিমিয়াম সিগারেট উৎপাদন করা সম্ভব। যার খুচরা বাজারমূল্য প্রায় ৪৯৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। SHARES অর্থনীতি বিষয়: কাস্টমস গোয়েন্দাচট্টগ্রাম বন্দরতামাকপাকিস্তানরাজস্ব ফাঁকি