কুবিতে ১১ শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি

প্রকাশিত: 10:31 PM, August 5, 2026

জাতীয় সংবাদমাধ্যমে "শেখ হাসিনাকে ফেরাতে গোপন তৎপরতা" শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. মজিবুর রহমান মজুমদার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৪ ও ৫ আগস্ট জাতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ জন শিক্ষক—অথবা অভিযোগে সম্পৃক্ত অন্য কেউ থাকলে তাদের পরিচয় ও কার্যক্রম নিরূপণের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে চার সদস্যের এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে অনুসন্ধানপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গঠিত এই ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম। কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সহকারী রেজিস্ট্রার মো. মনিরুজ্জামান। এ ছাড়া সদস্য হিসেবে কমিটিতে রয়েছেন সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ এবং আইসিটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক পিন্টু চন্দ্র পাল।

কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম বলেন, আমি চিঠি পাওয়ার পর আগামীকাল কমিটির সদস্যদের নিয়ে বসবো এবং একটি রোডম্যাপ তৈরি করবো। সঠিক তথ্য বের করার লক্ষ্যে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার চেষ্টা করবো।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. মজিবুর রহমান মজুমদার জানান, গণমাধ্যমে উঠে আসা ১১ জন শিক্ষকের সম্পৃক্ততা ও কোনো নাশকতামূলক পরিকল্পনার সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হবে। তিনি আরও বলেন, যদি কোনো শিক্ষকের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে তার কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে এবং তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সিন্ডিকেট চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া না গেলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তা গণমাধ্যমের মাধ্যমে নিশ্চিত করবে।