গ্যাস সংকটে ঝুঁকিপূর্ণভাবে এলপিজি সিলিন্ডারে চলছে হাটহাজারীর অটোরিকশা প্রকাশিত: ৭:৩১ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৬, ২০২৬ চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় সিএনজি গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ফিলিং স্টেশনগুলোতে পর্যাপ্ত গ্যাস না পাওয়ায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকরা বিকল্প জ্বালানি হিসেবে রান্নার কাজে ব্যবহৃত এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন। অটোরিকশার যাত্রীদের আসনের পেছনে রশি দিয়ে এসব সিলিন্ডার বেঁধে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি চালানো হচ্ছে, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের বিস্ফোরণের আশঙ্কা তৈরি করেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণে অনেক চালক ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় লাইনে দাঁড়িয়েও গ্যাস পাচ্ছেন না। উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয়ে অনেক চালক বিকল্প হিসেবে রান্নার এলপিজি সিলিন্ডার বেছে নিয়েছেন। পৌরসভা এলাকার বাসিন্দা মো. জামাল উদ্দিন বলেন, গাড়ির ভেতরে এভাবে গ্যাসের সিলিন্ডার রাখা অত্যন্ত বিপজ্জনক। বাধ্য হয়েই তাদের এই ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত করতে হচ্ছে। এছাড়া আগে যে পথে ৩০ টাকা ভাড়া ছিল, এখন তা ৫০ টাকায় উন্নীত হয়েছে। অর্থাৎ, যাত্রীদের ঝুঁকি নেওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত ভাড়াও গুনতে হচ্ছে। অটোরিকশাচালক দিদার ইসলাম বলেন, ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেক সময় সারা দিনে গ্যাস পাওয়া যায় না। পরিবারের খরচ মেটানোর তাগিদে বাধ্য হয়েই তারা এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করছেন। গ্যাসের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলে কেউই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এভাবে সিলিন্ডার ব্যবহার করতেন না। এ বিষয়ে হাটহাজারী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান জানান, এলপি গ্যাস অত্যন্ত দাহ্য পদার্থ। সিলিন্ডারে কোনো ত্রুটি থাকলে, অসতর্কতা বা পরিবহনের সময় আগুনের সংস্পর্শে এলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে। বিশেষ করে যাত্রীবাহী অটোরিকশায় এভাবে সিলিন্ডার বহন করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এদিকে, এ বিষয়ে রাউজান হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। SHARES দুর্ঘটনা বিষয়: অটোরিকশাএলপিজি সিলিন্ডারদুর্ঘটনার ঝুঁকিসিএনজি সংকটহাটহাজারী