অভিযোগ রয়েছে, কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দিদারুল আলম খোকাকে সিএলএস শাখার সিএলপি-০১ পদে অর্ডার দিয়ে বসানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, নিয়ম অনুযায়ী ওই পদে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মো. আরিফুর রহমানের দায়িত্ব পাওয়ার কথা থাকলেও তাকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, একই দপ্তরের শ্রমিক লীগ সংশ্লিষ্ট এক প্রভাবশালী নেতার সুপারিশে দিদারুল আলম খোকাকে ওই পদে বসানো হয়। এতে প্রশাসনিক নিয়মনীতি উপেক্ষা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এদিকে জেলা সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (ডিসিওএস-ডিপো) আল-আমিনের বিরুদ্ধেও টাকার বিনিময়ে যোগসাজশের অভিযোগ তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
রেলওয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে পদায়ন প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও শৃঙ্খলাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানিয়েছেন তারা।