1. admin@nobobangladesh.net : admin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিশ্বকাপের উন্মাদনায় শীলঘাটায় শান্তির নীড় ফ্রেন্ডস সার্কেলের ব্যতিক্রমী আয়োজন প্রতিদিন গড়ে একটি মামলা, চট্টগ্রামে বাড়ছে নারী ও শিশু নির্যাতন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেস্টুন তৈরি করে গুজবের চেষ্টা এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার কারাভোগ শেষে বেরিয়ে বাবাকে খুন করলো মাদকাসক্ত ছেলে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এলো রামিসা হত্যার রাতভর উত্তাল চট্টগ্রাম: পুলিশের পোশাক পরিয়ে সরানো হয় ধর্ষণে অভিযুক্তকে চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের গুলিতে আহত সাংবাদিক নোবেল ও মামুন অপকর্মই যেন সোহেলের নেশা, তার মা-বাবাও শাস্তি চায় পল্লবীর শিশু রামিসার বাসায় আজ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্ণফুলীতে যৌথ অভিযানে ৯ অননুমোদিত বাল্কহেড জব্দ

চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এলো রামিসা হত্যার

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬
  • ৩৪ বার পড়া হয়েছে
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের স্কুলছাত্রী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে উঠে এসেছে শিশুটির ওপর চালানো ভয়াবহ নির্যাতন ও হত্যার বিভীষিকাময় বর্ণনা।

বুধবার (২০ মে) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে সোহেল রানা জানান, তারা একই ভবনের পাশাপাশি কক্ষে বসবাস করতেন। ঘটনার দিন সকাল ৯টার দিকে রামিসাকে দেখে তার মধ্যে বিকৃত যৌন লালসা তৈরি হয়। তিনি দাবি করেন, তখন তিনি ইয়াবার প্রভাবে ছিলেন।

পরে সুযোগ বুঝে শিশুটিকে নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে বাথরুমে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে স্বীকার করেন তিনি।

জবানবন্দি অনুযায়ী, নির্যাতনের পর রামিসা বিষয়টি তার মা-বাবাকে জানিয়ে দেওয়ার কথা বললে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সোহেল। নিজের অপরাধ ফাঁস হওয়ার ভয় থেকে একপর্যায়ে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। একপর্যায়ে লাশ গুমে সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন রানার স্ত্রী।

আদালতে জবানবন্দিতে সোহেল রানা বলেন, তারা একই ভবনে পাশাপাশি কক্ষে থাকতেন। শিশুটির পরিবারসহ তিনটি পরিবারের বাস ছিল একই তলার পাশাপাশি। ঘটনার দিন সকাল ৯টার দিকে শিশুটিকে দেখে ইয়াবা আসক্ত সোহেলের মধ্যে বিকৃত যৌন লালসা তৈরি হয়। সুযোগ বুঝে শিশুটিকে নিজের কক্ষে ডেকে নেয় সে। পরে জোর করে বাথরুমে নিয়ে শিশুটির ওপর যৌন নির্যাতন চালিয়ে ধর্ষণ করে।

সোহেল জানায়, ঘটনার পর শিশুটি তার মা-বাবাকে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়ার কথা বললে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে সোহেল। নিজের অপরাধ ফাঁস হওয়ার আশঙ্কায় একপর্যায়ে শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডের পর সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তার বিষয়টি জানতে পারেন। পরে স্বামীকে বাঁচাতে লাশ গোপন করার পরিকল্পনা করেন। লাশ গুম করতে তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে ফেলা হয়। এছাড়া তার যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয় এবং দুই হাত কাঁধের কাছ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করা হয়। এরপর লাশ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয়। এ সময় মেয়েটির মা দরজায় নক করছিলেন। তখন মূল আসামি সোহেল যাতে পালাতে পারে, সেই সুযোগ করে দিতে স্ত্রী স্বপ্না দীর্ঘক্ষণ দরজা বন্ধ রাখেন। সোহেল জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যাওয়ার পর স্বপ্না দরজা খোলেন। পুরো প্রক্রিয়াতেই সোহেলকে সহযোগিতা করেন তিনি।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে একই ভবনের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার কৌশলে তার মেয়েকে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যায়। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মেয়েকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে অভিযুক্তদের কক্ষের সামনে মেয়ের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাডাকি করা হয়। কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে শয়নকক্ষের মেঝেতে তার মেয়ের মস্তকবিহীন লাশ ও বিচ্ছিন্ন মাথা পাওয়া যায়।

এজাহারে বলা হয়, শিশুটিকে কক্ষে নেওয়ার সময় সোহেলের সঙ্গে অজ্ঞাতপরিচয় আরও এক ব্যক্তি ছিল।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - এম এম গ্রুপ হতে প্রকাশিত ।
Design BY POPULAR HOST BD