এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হককে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি মারাত্মক অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি ইন্টারনেটে একটি এডিট করা নির্বাচনী ফেস্টুনের ছবি ভাইরাল করা হয়।
ভাইরাল সেই ছবিতে দেখা যায়, আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ মামলার এক অভিযুক্তের ছবি প্রতিমন্ত্রীর ফেস্টুনে জুড়ে দিয়ে রাজনৈতিকভাবে তীব্র বিভ্রান্তি ও সামাজিক ক্ষোভ ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভাইরাল হওয়া সেই ছবিতে আমিনুল হকের নির্বাচনী প্রচারণার আসল ফেস্টুনকে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে নিখুঁতভাবে পরিবর্তন করে অভিযুক্তের ছবি বসানো হয়েছে। তবে, এই ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ার পর, সরেজমিনে পল্লবীসহ সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে বাস্তবে এমন কোনো ফেস্টুন বা ব্যানারের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে দাবি করেন, এটি একটি সম্পূর্ণ পরিকল্পিত এবং নোংরা অপপ্রচার। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে একটি কুচক্রী মহল সামাজিক মাধ্যমে এই বিভ্রান্তিকর ও স্পর্শকাতর তথ্যটি ছড়িয়ে জনমনে প্রতিমন্ত্রীর নামে নেতিবাচক প্রভাব ফেলার চেষ্টা করছে।
পল্লবী থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েকজন কর্মীও বিতর্কিত ফেস্টুনের খোঁজ করতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং পরে জানান যে, সেখানে এই ধরনের কোনো ব্যানার বা পোস্টার লাগানো হয়নি। এটি কেবলই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তৈরি একটি ভুয়া ছবি।