1. admin@nobobangladesh.net : admin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০১:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিশ্বকাপের উন্মাদনায় শীলঘাটায় শান্তির নীড় ফ্রেন্ডস সার্কেলের ব্যতিক্রমী আয়োজন প্রতিদিন গড়ে একটি মামলা, চট্টগ্রামে বাড়ছে নারী ও শিশু নির্যাতন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেস্টুন তৈরি করে গুজবের চেষ্টা এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার কারাভোগ শেষে বেরিয়ে বাবাকে খুন করলো মাদকাসক্ত ছেলে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এলো রামিসা হত্যার রাতভর উত্তাল চট্টগ্রাম: পুলিশের পোশাক পরিয়ে সরানো হয় ধর্ষণে অভিযুক্তকে চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের গুলিতে আহত সাংবাদিক নোবেল ও মামুন অপকর্মই যেন সোহেলের নেশা, তার মা-বাবাও শাস্তি চায় পল্লবীর শিশু রামিসার বাসায় আজ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্ণফুলীতে যৌথ অভিযানে ৯ অননুমোদিত বাল্কহেড জব্দ

সাতদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে হার মানল রেশমি

Pranta
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ থানাধীন রৌফাবাদ বিহারী কলোনিতে দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে আহত শিশু রেশমি আকতার (১১) টানা সাতদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত হার মানল। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

চমেক হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের প্রধান ডা. কে এম বাকী বিল্লাহ সবুজ জানান, রেশমির মাথায় থাকা গুলিটি মস্তিষ্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও তার শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত অবনতি হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

জানা যায়, গত ৭ মে রাতে মায়ের জন্য পান কিনতে বাসা থেকে বের হয়েছিল রেশমি। এ সময় এলাকায় দুর্বৃত্তদের গোলাগুলির মধ্যে পড়ে যায় সে। ছোড়া একটি গুলি তার বাম চোখ ভেদ করে মাথায় ঢুকে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে আইসিইউ শয্যা না থাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলেও অবস্থার অবনতি হলে পুনরায় চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে রেশমি ছিল সবার ছোট। স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল সে। পরিবারের সদস্যদের আদরের এই শিশুর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রেশমির মেঝ ভাই ফয়সাল আহমেদ বলেন, “আমার ছোট বোনটা শুধু মায়ের জন্য পান কিনতে বের হয়েছিল। কোনো অপরাধ না করেও তাকে প্রাণ দিতে হলো। আমরা এই হত্যার বিচার চাই।”

স্থানীয়রা বলছেন, নগরীতে সন্ত্রাসীদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণে সাধারণ মানুষও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। একটি নিষ্পাপ শিশুর এমন মর্মান্তিক মৃত্যু নগরবাসীকেও নাড়িয়ে দিয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন রেশমির পরিবার এবং এলাকাবাসী।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - এম এম গ্রুপ হতে প্রকাশিত ।
Design BY POPULAR HOST BD