1. admin@nobobangladesh.net : admin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিশ্বকাপের উন্মাদনায় শীলঘাটায় শান্তির নীড় ফ্রেন্ডস সার্কেলের ব্যতিক্রমী আয়োজন প্রতিদিন গড়ে একটি মামলা, চট্টগ্রামে বাড়ছে নারী ও শিশু নির্যাতন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেস্টুন তৈরি করে গুজবের চেষ্টা এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার কারাভোগ শেষে বেরিয়ে বাবাকে খুন করলো মাদকাসক্ত ছেলে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এলো রামিসা হত্যার রাতভর উত্তাল চট্টগ্রাম: পুলিশের পোশাক পরিয়ে সরানো হয় ধর্ষণে অভিযুক্তকে চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের গুলিতে আহত সাংবাদিক নোবেল ও মামুন অপকর্মই যেন সোহেলের নেশা, তার মা-বাবাও শাস্তি চায় পল্লবীর শিশু রামিসার বাসায় আজ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্ণফুলীতে যৌথ অভিযানে ৯ অননুমোদিত বাল্কহেড জব্দ

ঘোষণা নাকি বাস্তবতা-চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা প্রকল্প ঘিরে নতুন আশ্বাস, পুরোনো প্রশ্ন

Pranta
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম নগরের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসনে চলমান মেগা প্রকল্প আবারও আলোচনায় এসেছে। নতুন করে দেওয়া আশ্বাস ও পরিদর্শনের পরও একই প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসছে—এটি কি বাস্তব অগ্রগতি, নাকি কেবল ঘোষণার পুনরাবৃত্তি?

নগরের হিজরা খাল, মির্জা খালসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ খাল ও প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। পরিদর্শনে তার সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় সরকার, ভূমি ও নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, সিডিএ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের বর্তমান আর্থিক চাপ সত্ত্বেও চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ অব্যাহত রাখা হবে। তিনি বলেন, অতীতে প্রকল্প গ্রহণ করা হলেও যথাযথ অর্থায়ন ও সমন্বয়ের অভাবে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায়নি। বর্তমান সময়ে সেই ঘাটতি পূরণ করে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ, জ্বালানি খাতে ব্যয় বৃদ্ধি এবং পূর্ববর্তী সরকারের দায় পরিশোধের মধ্যেও এই প্রকল্পকে আলাদা গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কাজ পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রকল্পের বড় অংশ সম্পন্ন হবে এবং নগরে দীর্ঘমেয়াদি জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোথাও লুটপাট বা অনিয়ম হয়ে থাকলে তার পূর্ণ হিসাব বের করা হবে এবং দায়ীদের চিহ্নিত করা হবে। তবে এখনই মূল অগ্রাধিকার হলো প্রকল্পের কাজ শেষ করে নগরবাসীর দুর্ভোগ কমানো।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সব সংস্থার সমন্বিত কাজ। অতীতে আলাদা আলাদাভাবে কাজ করার কারণে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায়নি। বর্তমানে সিটি কর্পোরেশন, সিডিএ, পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো একসঙ্গে কাজ করছে। খাল উদ্ধার, পরিষ্কার, দখলমুক্তকরণ ও স্লুইসগেট ব্যবস্থাপনায় নিয়মিত মনিটরিং চলছে। তিনি আরও বলেন, খালে বর্জ্য ফেলা বন্ধ না হলে কোনো প্রকল্পই টেকসই হবে না, তাই নগরবাসীর সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত প্রতিমন্ত্রীরা বলেন, চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা একটি বহুমাত্রিক সমস্যা, যেখানে খাল খনন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার সব দিকই সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করতে হচ্ছে। তারা জানান, ১৩০টি খালকে কেন্দ্র করে সমন্বিত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজ চলছে এবং ধাপে ধাপে অগ্রগতি হচ্ছে।

সব মিলিয়ে আবারও সামনে এসেছে নতুন আশ্বাসের বার্তা, কিন্তু নগরবাসীর অভিজ্ঞতায় প্রশ্নও একই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে। প্রতি বর্ষায় জলাবদ্ধতার যে চিত্র ফিরে আসে, তা এই প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি নিয়ে আস্থার সংকটকে আরও গভীর করে তুলছে। ফলে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, এই ঘোষণার ধারাবাহিকতা কি শেষ পর্যন্ত বাস্তবে রূপ নেবে, নাকি আগের মতোই থেকে যাবে অপেক্ষার আরেকটি অধ্যায় হিসেবে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - এম এম গ্রুপ হতে প্রকাশিত ।
Design BY POPULAR HOST BD