ইউপি চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে হাইকোর্টের রুল

প্রকাশিত: 2:01 PM, July 22, 2026

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক নিশ্চিত করার বিষয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে, চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে ব্যর্থ ইউনিয়ন পরিষদ আইনের ২৬ ধারা কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছেন আদালত।

সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী কাজী ফেরদাউসুল হাসান ও মো. তানভীর আহমেদ খানের করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল প্রদান করেন।

আদালতের নির্দেশনায় এলজিআরডি সচিব, আইন সচিব এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এই রুল জারি করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী কাজী ফেরদাউসুল হাসান।

আইনজীবী কাজী ফেরদাউসুল হাসান জানান, বর্তমান আইনে একজন ইউপি চেয়ারম্যানকে গ্রাম আদালত পরিচালনার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তিনি তিন লাখ টাকা মূল্যের মামলা পরিচালনা করতে পারেন। তিনি যুক্তি দেন যে, এই ক্ষমতা যে ম্যাজিস্ট্রেটের রয়েছে, তাকে স্নাতক সম্পন্ন করে বিজেএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। অথচ ইউপি চেয়ারম্যানের ক্ষেত্রে কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা নেই। এই বৈষম্য নিরসনে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এর ২৬ ধারা চ্যালেঞ্জ করে রিটটি দায়ের করা হয়েছে এবং চেয়ারম্যানের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক করার দাবি জানানো হয়েছে।