মুন্সিগঞ্জের মেঘনা নদীতে ভাসমান নারী-পুরুষের মরদেহ উদ্ধার প্রকাশিত: ৫:৩২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৯, ২০২৬ মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার চর রমজানবেগ এলাকায় মেঘনা নদী থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারী ও এক পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ। রোববার দুপুর ১২টার দিকে নদী থেকে কচুরিপানার সঙ্গে ভাসমান অবস্থায় মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা, মরদেহ দুটি অন্তত পাঁচ থেকে সাত দিন আগের। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সকালে নদীর তীরে কচুরিপানার জটলা থেকে উৎকট গন্ধ আসছিল। পরে কচুরিপানা সরিয়ে তাঁরা পাশাপাশি তিনটি মরদেহ দেখতে পান, যার মধ্যে দুটি ছিল পুরুষের এবং একটি নারীর। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তল্লাশি চালিয়ে দুটি মরদেহ উদ্ধার করে, তবে তৃতীয় মরদেহটির সন্ধান পাওয়া যায়নি। চর রমজানবেগ এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ মনির হোসেন জানান, সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ছাগলের জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে তিনি মরদেহগুলো দেখতে পান এবং জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করে পুলিশকে বিষয়টি জানান। স্থানীয় বাসিন্দা নিজামউদ্দিন জানান, উদ্ধারস্থলটির কাছেই নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার চর কিশোরগঞ্জ এলাকা অবস্থিত। তিনি বলেন, একসঙ্গে তিনটি মরদেহ ভেসে ওঠার ঘটনা আগে দেখেননি। তিনজনকে হত্যা করা হয়েছে নাকি স্রোতে ভেসে এসেছে, তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি। নৌ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার করা নারীর হাত-পা বাঁধা ছিল, তবে পুরুষের মরদেহে এমন কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। নারীর হাত-পা বাঁধা থাকার কারণে এটিকে হত্যাকাণ্ড হিসেবেই প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের নৌ পুলিশের অতিরিক্ত উপমহাপুলিশ পরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. আলমগীর হোসেন ও গজারিয়া নৌ পুলিশের পরিদর্শক সরজিৎ কুমার ঘোষ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করেন। মো. আলমগীর হোসেন জানান, উদ্ধার করা মরদেহ দুটির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে এবং এই কাজে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা সহায়তা করছেন। নদীতে এখনো কোনো তৃতীয় মরদেহ রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরে প্রায় ৫০ মিটার দূর থেকে নারীর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।বেলা দেড়টার দিকে মো. আলমগীর হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, বেলা ১১টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে তাঁরা মরদেহ ভেসে থাকার খবর পান। SHARES জাতীয় বিষয়: গজারিয়ানৌ পুলিশমরদেহ-উদ্ধারমুন্সিগঞ্জমেঘনা নদী