রাউজানে অস্ত্রের মুখে ২৫ লাখ টাকা সম্পদ সংক্রান্ত ঘটনায়, তদন্তে পুলিশ প্রকাশিত: ৯:২২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৭, ২০২৬ চট্টগ্রামের রাউজানে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে প্রকাশ্য দিবালোকে ছিনতাইয়ের এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। বেলা ১২টার দিকে উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের উত্তর গুজরা রাজ চন্দ্রপাড়ার ডিসি সড়কে এই ঘটনাটি ঘটে। জমি রেজিস্ট্রির জন্য টাকা নিয়ে যাওয়ার পথে অস্ত্রের মুখে অটোরিকশায় থাকা এক নারীর ২৫ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অস্ত্র ঠেকিয়ে অটোরিকশায় থাকা নারীর কাছ থেকে ২৫ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে ছিনতাইকারীরা। ভুক্তভোগী সামশুন নাহার (৫০) পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বড় ঠাকুরপাড়ার ইসমাইল সওদাগর বাড়ির বাসিন্দা। জানা গেছে, পৌর সদরের চারাবটতল এলাকায় চার গণ্ডা জমি কেনার জন্য ৩২ লাখ টাকায় দাম ঠিক হয়েছিল। সেই চুক্তির অবশিষ্ট ২৭ লাখ টাকা নিয়ে সামশুন নাহার ও একজন দলিল লেখক অটোরিকশায় চড়ে রাউজান সদর সাব রেজিস্ট্রার অফিসের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে উত্তর গুজরা রাজ চন্দ্রপাড়ার ডিসি সড়কে পৌঁছলে দুটি মোটরসাইকেলে আসা ছয় ছিনতাইকারী তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করে অটোরিকশাটির গতিরোধ করে। এ সময় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ওই নারীর ব্যাগে থাকা ২৫ লাখ টাকা, তার মুঠোফোন এবং চালকের মুঠোফোন ও অটোরিকশার চাবি নিয়ে দুর্বৃত্তরা দ্রুত পালিয়ে যায়। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা মো. জসিম উদ্দিন জানান, তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর মাত্র পাঁচ মিনিট আগেই এই ছিনতাইয়ের ঘটনাটি ঘটেছে। দিনের বেলা এমন দুর্ধর্ষ ঘটনায় এলাকাবাসী উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং ওই নারীর টাকা উদ্ধারে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেছেন। ভুক্তভোগী নারীর ছেলে প্রবাসী মো. আরিফ জানিয়েছেন, ঘটনার সময় তিনি মোটরসাইকেলে সাব রেজিস্ট্রার অফিসে অবস্থান করছিলেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান তিনি। এভাবে দিনদুপুরে ছিনতাই হলে আমাদের নিরাপত্তা কোথায়। ভুক্তভোগী সামশুন নাহার জানিয়েছেন, তার কাছে মোট ২৭ লাখ টাকা ছিল। এর মধ্যে ২৫ লাখ টাকা ব্যাগে এবং বাকি ২ লাখ টাকা জমির কাগজপত্রের ব্যাগে ছিল। ঘটনার পর তিনি নিজে বাদী হয়ে রাউজান থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে রাউজান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, অভিযোগ পাওয়ার পর আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ছিনতাইকারীদের শনাক্ত করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং দ্রুত তাদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করছেন। আমরা প্রশাসনের কাছে টাকা উদ্ধার ও ছিনতাইকারীদের আটকের বিষয়ে সহযোগিতা চাই। মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। পুলিশ ছিনতাইকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। SHARES অপরাধ বিষয়: অপরাধচট্টগ্রামছিনতাইপুলিশরাউজান