চট্টগ্রাম বোর্ডে এইচএসসি পাসের হার ৫২.০৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ ২৯২৯ জন

প্রকাশিত: ২:৩৯ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩১, ২০২৬

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯২৯ জন শিক্ষার্থী। গত বছর এই বোর্ডে পাসের হার ছিল ৫২ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬ হাজার ৯৭ জন পরীক্ষার্থী। অর্থাৎ গতবারের তুলনায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা উভয়ই কমেছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে এই ফল ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী। তিনি জানান, এবার প্রথম পূর্ণ সিলেবাসে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং অভিন্ন পদ্ধতিতে যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়েছে। এছাড়া সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। শুরুর দিকে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ভীতি কাজ করা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পরীক্ষা স্থগিত থাকা ও পড়ার টেবিলে ফিরতে সময় লাগা পাসের হার কিছুটা কমার কারণ হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ২০২০ সালে নতুন সিলেবাস ঘোষণার পর এবছর প্রথম পূর্ণ সিলেবাসে পড়ে পরীক্ষা দেয় পরীক্ষার্থীরা। করোনাসহ নানান কারণে শর্ট সিলেবাসে পরীক্ষা হয়ে আসছিল গত কয়েক বছর।

এ বছর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় ৯৬ হাজার ৩৩৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। ফলাফলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ছাত্রদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং ছাত্রীদের পাসের হার ৫৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এলাকাভিত্তিক পাসের হার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, নগরীতে ৬৬ দশমিক ২০ শতাংশ, জেলায় ৪৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ, রাঙামাটিতে ৩৩ দশমিক ২৪ শতাংশ, খাগড়াছড়িতে ২৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ, বান্দরবানে ৪১ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং কক্সবাজারে ৪৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।

বিভাগভিত্তিক ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৭৪ দশমিক ৪২ শতাংশ, যা অন্য বিভাগের চেয়ে বেশি। এছাড়া ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৫৪ দশমিক ১৪ শতাংশ এবং মানবিক বিভাগে পাসের হার ৩৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার মোট ২৮৩টি কলেজের শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। প্রসঙ্গত, গত ২ জুলাই শুরু হওয়া পরীক্ষা বৈরী আবহাওয়া ও বন্যার কারণে ৮ জুলাই স্থগিত করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে ২০ আগস্ট থেকে পুনরায় শুরু হয়।