মিসওয়াক করে নামাজ পড়ার গুরুত্ব ও ফজিলত প্রকাশিত: 9:00 AM, August 3, 2026 ইসলামে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব অপরিসীম। নবীজি (সা.) পবিত্রতা পছন্দ করতেন এবং দুর্গন্ধকে ঘৃণা করতেন। তিনি মুখের পরিচ্ছন্নতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। দিনের শুরুতে বা রাতে ঘুমের আগে ও পরে তিনি মিসওয়াক করতেন, যাতে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং ঘুমের পর কাজে কর্মস্পৃহা ফিরে আসে। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিস অনুযায়ী, জিবরাইল (আ.) বারবার তাকে মিসওয়াকের নির্দেশ দিতেন। মুসনাদ আহমদের ২২২৬৯ নম্বর হাদিসে বর্ণিত আছে, তিনি আশঙ্কা করেছিলেন যে মিসওয়াকের কারণে তার মুখের সম্মুখভাগ ক্ষয় হয়ে যেতে পারে। উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত আবু দাউদ ও মিশকাতের ৩৫২ নম্বর হাদিস অনুযায়ী, মহানবী (সা.) রাতে বা দিনে ঘুম থেকে ওঠার পর অজু করার আগেই মিসওয়াক করতেন। এছাড়া বোখারি শরিফেও উল্লেখ রয়েছে যে, রাতে নামাজের জন্য ওঠার সময় তিনি মিসওয়াক করতেন। মিসওয়াকের ফজিলত সম্পর্কে আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত শুয়াবুল ইমান লিলবায়হাকির ২৫২০ নম্বর হাদিসে বলা হয়েছে, মিসওয়াক করার পর পড়া দুই রাকাত নামাজ মিসওয়াক ছাড়া পড়া দুই রাকাত নামাজের তুলনায় সত্তর গুণ বেশি উত্তম। মিসওয়াক করার পদ্ধতির বিষয়ে নাসায়ি শরিফের ১/৩ নম্বর হাদিসে আবু মুসা (রা.) বর্ণনা করেন, তিনি রাসুল (সা.)-কে মিসওয়াক করতে দেখেছেন, যেখানে মিসওয়াকের এক পাশ জিহ্বার ওপর ছিল এবং তিনি ‘আ’ ‘আ’ শব্দ করছিলেন। আলেমরা হাদিসের আলোকে জানান, মিসওয়াক হাতের আঙুলের মতো মোটা এবং এক বিঘত লম্বা হওয়া মুস্তাহাব। মিসওয়াকের সুন্নতসম্মত পদ্ধতি হলো ডান হাতে নিয়ে ডান দিক থেকে শুরু করা। দাঁতের প্রস্থে এবং জিহ্বায় লম্বালম্বিভাবে মিসওয়াক করা সুন্নত। SHARES অন্যান্য বিষয়: ইবাদতইসলামনামাজমিসওয়াকসুন্নাহহাদিস