আইসিসির নতুন ডেপুটি চেয়ারম্যান জিম্বাবুয়ের তাভেংওয়া মুকুলানি

প্রকাশিত: ৮:১০ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬

জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের (জেডসি) দীর্ঘদিনের সভাপতি তাভেংওয়া মুকুলানি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) নতুন ডেপুটি চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তুতিমূলক সময়ে এই ঘোষণা দেওয়া হলো। গত বৃহস্পতিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আইসিসি বোর্ড আনুষ্ঠানিকভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এই নিয়োগের মাধ্যমে প্রথম জিম্বাবুয়ান হিসেবে আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যানের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে বসার ইতিহাস গড়লেন মুকুলানি। তিনি সিঙ্গাপুরের অভিজ্ঞ ক্রিকেট প্রশাসক ইমরান খাজার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন, যিনি ২০০৮ সাল থেকে আইসিসি বোর্ডে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

নতুন এই দায়িত্ব পাওয়ার পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তাভেংওয়া মুকুলানি বলেন, "বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটের প্রসার এবং লস অ্যাঞ্জেলেস ২০২৮ অলিম্পিক গেমসে এর অন্তর্ভুক্তি মিলিয়ে ক্রিকেট এখন এক রোমাঞ্চকর যুগে প্রবেশ করছে। আমাদের চেয়ারম্যান জনাব জয় শাহ এবং বোর্ডের বাকি সদস্যদের সাথে একযোগে কাজ করে বৈশ্বিক ক্রিকেটের স্বার্থ রক্ষায় অবদান রাখতে আমি মুখিয়ে আছি।"

আগামী বছরের অক্টোবর ও নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নামিবিয়ার সাথে যৌথভাবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজন করবে জিম্বাবুয়ে। সহ-আয়োজক হিসেবে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জনের সুবাদে ২০১৫ সালের পর এই প্রথম আবারও ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে জিম্বাবুয়ের পুরুষ ক্রিকেট দল।

মুকুলানির নিয়োগ প্রসঙ্গে আইসিসির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, "জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটে তাঁর দীর্ঘ নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা এবং আফ্রিকার ক্রিকেটীয় পরিবেশ সম্পর্কে গভীর জ্ঞানের কারণে জনাব মুকুলানি আইসিসি ও এর সদস্য দেশগুলোর সাথে সমন্বয় করে একটি ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ আয়োজনে অনন্য ভূমিকা রাখবেন। ২৪ বছর পর আবার আফ্রিকায় ফিরতে যাওয়া এই টুর্নামেন্ট সমগ্র মহাদেশজুড়ে ক্রিকেটের সম্প্রসারণ ও উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করবে।"

তাভেংওয়া মুকুলানি ২০১৫ সাল থেকে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন এবং এ পর্যন্ত তিনবার এই পদে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর মেয়াদের উল্লেখযোগ্য সাফল্যের মধ্যে রয়েছে বোর্ডের ব্যাংক ঋণ সম্পূর্ণ পরিশোধ করা, সরকারি হস্তক্ষেপের কারণে আইসিসির দেওয়া নিষেধাজ্ঞা সফলভাবে কাটিয়ে ওঠা এবং নারী ক্রিকেট দলকে ফিউচার ট্যুরস প্রোগ্রামে (এফটিপি) অন্তর্ভুক্ত করা। এ ছাড়া তিনি আইসিসির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্থ ও বাণিজ্যিক বিষয়ক কমিটির একজন সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।