ইরানের কেশম দ্বীপের উপকণ্ঠে অন্তত ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত

প্রকাশিত: ১০:২২ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১৯, ২০২৬

ইরানের কেশম দ্বীপের উপকণ্ঠে অন্তত ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় শনিবার দিবাগত রাত ৩টা ৩৮ মিনিটের দিকে দ্বীপটির উপকণ্ঠের বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

দ্বীপটি থেকে তাসনিমের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কিংবা নিরাপত্তা কর্মকর্তারা এখনো এই ঘটনা নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেননি। এছাড়া কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়েও এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দ্বীপের কয়েকটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতের ঘটনা ঘটেছে। কেউ কেউ দাবি করেছেন, তিন থেকে পাঁচটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে, তবে এটি এখনো আনুষ্ঠানিক নয়।

ইরানি সংবাদমাধ্যম মেহের জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক বাহিনী কেশম দ্বীপের উপকণ্ঠের একটি স্থানে হামলা চালিয়েছে। তবে এই হামলায় কোনো বেসামরিক মানুষ হতাহত হননি এবং কোনো আবাসিক বা বাণিজ্যিক অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। একই সময়ে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, নগরীর বিভিন্ন অংশে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে এবং কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। তবে প্রাদেশিক কর্মকর্তাদের বরাতে তাসনিম জানিয়েছে, বন্দর আব্বাসে বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেলেও সেখানে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত বা মার্কিন যুদ্ধবিমানের হামলার কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।

সাম্প্রতিক দিনগুলোয় বন্দর আব্বাস ও কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে। এর আগে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের বন্দর খামির এলাকায় একটি সেতুতে মার্কিন বিমান হামলায় অন্তত সাতজন বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সোগান্দ দার্দমান্দ ও ফাতেমেহ জাহরা আকবরি নামে দুই মেয়ের নাম প্রকাশ করেছে ভারতে ইরানের দূতাবাস। ইরানি কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৫০ জন নিহত ও ৫০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।

আহত হয়েছেন ৫০০ জনের বেশি।.জর্ডানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র–ড্রোন হামলায় ২ মার্কিন সেনাসদস্য নিহত, নিখোঁজ ১