সব শত্রু এখন ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায়: আইআরজিসি প্রকাশিত: ১১:০০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৭, ২০২৬ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লার ওপর আর কোনো বিধিনিষেধ থাকছে না বলে ঘোষণা দিয়েছে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। বাহিনীটির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি জানিয়েছেন, এখন থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতা ও পাল্লা বাড়ানোর পূর্ণ সুযোগ রয়েছে ইরানের। শনিবার (৭ নভেম্বর) তেহরানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। মোহেব্বি আরও বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লার ওপর আগে যে বিধিনিষেধ ছিল, তা আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, কেবল বক্তব্যের মাধ্যমে সক্ষমতা প্রমাণের সুযোগ নেই; বরং যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বাস্তবে প্রদর্শন করাই এখন তাদের প্রধান দায়িত্ব। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ মোজতবা হোসেইনি খামেনির সাম্প্রতিক নির্দেশনার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মুখপাত্র বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের হুমকি বা সামরিক হামলার জবাব ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা ছাড়াই দ্রুত ও কার্যকরভাবে দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে। শত্রুপক্ষকে থামিয়ে দেওয়ার মতো ইরানের হাতে অনেক উপায় রয়েছে এবং প্রতিপক্ষের সামরিক ও বেসামরিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে তাদের দুর্বল করার সুযোগও তেহরানের রয়েছে। অসম যুদ্ধের কৌশলে শত্রুপক্ষের অপ্রত্যাশিত স্থানে আঘাত হেনে তাদের সক্ষমতা অকার্যকর করে দেওয়ার সক্ষমতাও ইরানের আছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি সর্বোচ্চ নেতা দেশটির সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কমান্ডারদের সঙ্গে এক বৈঠকে যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে দ্রুত ও শক্তিশালী জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেন। একই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক সম্পদকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সামরিক লক্ষ্যবস্তুর তথ্যভান্ডার হালনাগাদের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লার সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়ার এ ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের চলমান সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে একে দেশটির প্রতিরক্ষা ও সামরিক কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা কত দূর পর্যন্ত বাড়ানো হবে কিংবা এই নতুন সক্ষমতা ঠিক কবে থেকে কার্যকর হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানাননি আইআরজিসির মুখপাত্র। SHARES আন্তর্জাতিক বিষয়: আইআরজিসিইরানক্ষেপণাস্ত্রমধ্যপ্রাচ্যসামরিক