নেক আমলের পার্থিব ৫ পুরস্কার ও কল্যাণ

প্রকাশিত: ৩:৩০ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৩, ২০২৬

ইসলামে ঈমান ও নেক আমলের গুরুত্ব অপরিসীম। এর মাধ্যমে মুমিন ব্যক্তি শুধু পরকালীন মুক্তিই লাভ করেন না, বরং মহান আল্লাহতায়ালা তাকে দুনিয়ার জীবনেও অগণিত পুরস্কার ও কল্যাণ দান করেন। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এই বিষয়টি বারবার গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে।

নেক আমলকারীদের জন্য দুনিয়াতে সুখী ও স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন উপহারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আল্লাহ। কোরআনে বলা হয়েছে, মোমিন পুরুষ ও নারীর মধ্যে যে কেউ সৎ কাজ করবে, তাকে আমি নিশ্চয়ই আনন্দময় জীবন দান করব এবং তাদের কর্মের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার প্রদান করব (সুরা নাহল: ৯৭)।

জীবনে বরকত ও প্রাচুর্য লাভের ক্ষেত্রেও নেক আমলের ভূমিকা রয়েছে। অতীতে অনেক সম্প্রদায়কে তাদের নেক আমলের কারণে বরকতের দরজা খুলে দেওয়া হয়েছিল। কোরআনে এরশাদ হয়েছে, তাকে আমি লক্ষ বা ততোধিক লোকের প্রতি প্রেরণ করেছিলাম এবং তারা ঈমান এনেছিল, ফলে আমি তাদেরকে কিছু কালের জন্য জীবনোপভোগ করতে দিয়েছিলাম (সুরা সাফফাত: ১৪৭-১৪৮)।

ন্যায় ও সত্যের পথে চলা, আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠায় কাজ করা এবং ইসলামের দাওয়াত ছড়িয়ে দেওয়ার বিনিময়ে আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য ও বিজয় অর্জিত হয়। আল্লাহ বলেন, হে মোমিনগণ, যদি তোমরা আল্লাহকে সাহায্য কর তাহলে আল্লাহ তোমাদেরকে সাহায্য করবেন এবং তোমাদের অবস্থান দৃঢ় করবেন (সুরা মুহাম্মাদ: ৭)।

মানুষের ভালোবাসা অর্জন করাও নেক আমলের একটি বড় প্রাপ্তি। যারা ঈমান আনে ও নেক আমল করে, আল্লাহতায়ালা মানুষের অন্তরে তাদের জন্য ভালোবাসা সৃষ্টি করে দেন এবং পৃথিবীতে তাদের সম্মান ও খ্যাতি বাড়িয়ে দেন (সুরা মরিয়ম: ৯৬)।

নেক আমলের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থিব পুরস্কার হলো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা লাভ করা। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান আনে এবং নেক আমল করে, আল্লাহ তাদেরকে দুনিয়ায় ক্ষমতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন (সুরা নুর: ৪৫৫)।