সরকারি নথিতে প্রথমবার নবম পে স্কেল, চলতি বছরই কার্যকরের ঘোষণা প্রকাশিত: ৬:৪০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৭, ২০২৬ সরকারি কোনো নথিতে প্রথমবারের মতো নবম জাতীয় পে স্কেলের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এতে শুধু পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতিই দেওয়া হয়নি, বরং তা কীভাবে এবং কোন পদ্ধতিতে বাস্তবায়ন করা হবে সে বিষয়েও বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। গত সোমবার (১৭ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে প্রকাশিত ‘জনগণের সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক একটি ই-বুকে এই তথ্য উন্মোচিত হয়। ই-বুকের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে এই নতুন বেতন স্কেল ঘোষণা করা হচ্ছে। এতে ১ম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। এই পে স্কেলটি দুই ধাপে বাস্তবায়ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথম বছরে চাকরিজীবীদের মূল বেতন এবং দ্বিতীয় বছরে বাড়ি ভাড়া ও অন্যান্য ভাতা কার্যকর করা হতে পারে। এই সংক্রান্ত সুপারিশগুলো চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং সচিব কমিটির সকল সদস্য ইতোমধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে স্বাক্ষর করেছেন। নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাজেট বরাদ্দের একটি হিসাবও এতে তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ও ভাতার জন্য ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ এই খাতে মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা। এদিকে সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে পে কমিশন নিয়ে আয়োজিত এক বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, চলতি বছরের মধ্যেই নবম জাতীয় পে স্কেল কার্যকর করা হবে। অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে আরও আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে এবং সরকার খুব দ্রুতই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, পে-কমিশনের অনেকগুলো দিক রয়েছে যা সরকার গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে। এ বিষয়ে অধিকতর আলোচনার জন্য পরবর্তীতে তারা আবারও বৈঠকে বসবেন। SHARES জাতীয় বিষয়: অর্থ মন্ত্রণালয়আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীনবম পে-স্কেলবাজেট বরাদ্দবেতন স্কেলসরকারি চাকরিজীবী