৬জি প্রযুক্তি কী, কবে নাগাদ এটি বাণিজ্যিকভাবে চালু হতে পারে প্রকাশিত: ৫:৩১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৭, ২০২৬ ৫জি প্রযুক্তির বিস্তার এখনো পুরোপুরি সম্পন্ন হয়নি, তবে এরই মধ্যে ৬জি প্রযুক্তি নিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। নতুন প্রজন্মের মোবাইল যোগাযোগপ্রযুক্তি উদ্ভাবন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণ প্রক্রিয়া অত্যন্ত দীর্ঘমেয়াদী একটি কাজ। ভবিষ্যৎ মুঠোফোন, গাড়ি, স্মার্ট বাসাবাড়ি এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতির মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ নিশ্চিত করতে এই প্রযুক্তি নিয়ে আগাম প্রস্তুতি শুরু করা জরুরি। প্রযুক্তিগত বিবর্তনের ধারায় ৩জি, ৪জি ও ৫জির পর ৬জি প্রযুক্তি আসবে বলে ধরে নেওয়া হয়। তবে ৬জি কেবল ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধির মাধ্যম নয়, বরং এটি যোগাযোগ নেটওয়ার্কের কাজের পরিধিকে অনেক বিস্তৃত করবে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে নেটওয়ার্কের বেতার সংকেত ব্যবহার করে আশপাশের পরিবেশে মানুষ বা গাড়ির উপস্থিতি শনাক্ত করার মতো নতুন সক্ষমতা যুক্ত হতে পারে। জাতিসংঘের সংস্থা আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (আইটিইউ) এই প্রযুক্তিকে ‘আইএমটি-২০৩০’ হিসেবে অভিহিত করেছে। বর্তমানে ৬জি প্রযুক্তি বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত নয় এবং এর প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য ও আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণের কাজ চলমান রয়েছে। ২০৩০ সালকে লক্ষ্য রেখে এই প্রযুক্তির মান ও কার্যক্ষমতা নির্ধারণে অগ্রগতি অর্জিত হচ্ছে। বিভিন্ন প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে ৬জি চালুর প্রস্তুতি শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান টি-মোবাইল ২০২৯ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে ৬জি নেটওয়ার্ক চালুর পরিকল্পনা করছে। তবে বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু হওয়া আর সর্বত্র সহজলভ্য হওয়া এক বিষয় নয়। ৪জি ও ৫জি প্রযুক্তি যেভাবে ধাপে ধাপে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে, ৬জির ক্ষেত্রেও একই ধরনের ধারাবাহিকতা দেখা যেতে পারে। SHARES প্রযুক্তি বিষয়: আইটিইউপ্রযুক্তিভবিষ্যৎ প্রযুক্তিমোবাইল প্রযুক্তি৬জি