উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল ও এআই স্থাপনায় হামলার হুমকি ইরানের প্রকাশিত: ১:৩০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৩, ২০২৬ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যদি নতুন করে কোনো হামলা পরিচালনা করে, তবে তার কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই হুমকি দিয়ে বলেছেন, এমনটি ঘটলে উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল স্থাপনা, আন্ডারসি ক্যাবল, ডেটাসেন্টার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। ইরানের নিরাপত্তা প্রধানদের মতে, ডনাল্ড ট্রাম্প ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আবারও হামলা চালালে তেহরানের কোনো ‘রেড লাইন’ বা সীমারেখা অবশিষ্ট থাকবে না। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ৩রা নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে ইরানকে লক্ষ্য করে একটি যৌথ হামলার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। এই সামরিক অভিযানের উদ্দেশ্য ও সময় নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা করতে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইসরাইলে গিয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এরই মধ্যে বুধবার হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এই উত্তেজনার জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৩.৪ ডলারে (প্রায় ১৩ হাজার ৬০০ টাকা) পৌঁছেছে। এছাড়া ট্রাম্প প্রশাসন নভেম্বরের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি বড় আকারে বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। ইরানি বিশ্লেষকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, এই অঞ্চলে নতুন করে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়লে বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়তে পারে, যার ফলে বিশ্ব অর্থনীতি ভয়াবহ মন্দার কবলে পড়বে। তবে তেহরান একদিকে যেমন কঠোর হুঁশিয়ারি দিচ্ছে, অন্যদিকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের শর্তে হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা নিরসন এবং পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনার পথও খোলা রেখেছে। SHARES অন্যান্য বিষয়: ইরানউপসাগরীয় দেশএআই কেন্দ্রতেল স্থাপনামধ্যপ্রাচ্য সংকট