জাতীয় কবি কাজী নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ প্রকাশিত: ২:০০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৭, ২০২৬ সাম্যের কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট)। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র তিনি ইহলোক ত্যাগ করেন। বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান এই বাংলা ভাষার কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও সঙ্গীতজ্ঞ তাঁর ২৩ বছরের সৃষ্টিশীল জীবনে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে এক উচ্চাসনে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশবে চরম দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করা ‘দুখু মিয়া’ ডাকনামের এই কবির কবিতা ও গান বাংলা সাহিত্যে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে তাঁর সৃষ্টিকর্ম এক যুগান্তকারী ভূমিকা রাখে। শোষিত মানুষের মুক্তির পথ দেখানোয় ব্রিটিশ শাসকদের রোষানলে পড়ে কবিকে কারা নির্যাতনও ভোগ করতে হয়েছিল। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে কবিকে সপরিবারে বাংলাদেশে আনা হয় এবং তাঁকে জাতীয় কবির মর্যাদা দেওয়া হয়। ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। পরবর্তীতে ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কবিকে নাগরিকত্ব প্রদান করে এবং একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি তাঁকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে। আগামীকাল ১২ ভাদ্র সকাল সাড়ে ৬টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে সমবেত হবেন। সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে সেখান থেকে শোভাযাত্রা সহকারে কবির সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করা হবে। এরপর উপাচার্যের সভাপতিত্বে কবির সমাধি প্রাঙ্গণের উন্মুক্ত মঞ্চে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় কবির মৃত্যুবার্ষিকীতে বাণী দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, কবি কাজী নজরুল ইসলাম অন্যায়ের বিরুদ্ধে চিরকালীন দ্রোহের প্রতীক। তাঁর সাহিত্যকর্মে মানবতার বাণী উচ্চকিত ছিল এবং তাঁর রচনা আমাদের স্বদেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। সমাজে শান্তি, সাম্য ও মানবতা প্রতিষ্ঠার ব্রত নিয়ে তিনি সাহিত্যকর্মে আত্মনিয়োগ করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন রিজভী। SHARES ফিচার বিষয়: কাজী নজরুল ইসলামজাতীয় কবিঢাকা-বিশ্ববিদ্যালয়মৃত্যুবার্ষিকীসাহিত্য