২০৩০ সালে বিশ্বের ৩২তম বৃহৎ অর্থনীতি হতে পারে বাংলাদেশ প্রকাশিত: ১১:০০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৮, ২০২৬ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরও বড় হয়ে বিশ্বের ৩২তম বৃহৎ অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে। ওই সময় বিশ্ব অর্থনীতির সামগ্রিক আকার ১৫০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কানাডাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্ট’ আইএমএফের তথ্যের ভিত্তিতে ২০৩০ সালের একটি সম্ভাব্য অর্থনৈতিক চিত্র তুলে ধরেছে। তাদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বর্তমান প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রায় ৬৭৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশ মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনামের মতো দেশগুলোকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাবে। বিশ্ব অর্থনীতির সামগ্রিক চিত্রের পূর্বাভাসে দেখা যায়, ২০৩০ সালেও যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতির দেশ হিসেবে তার অবস্থান ধরে রাখবে, যার জিডিপি ৩৭ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার হতে পারে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকবে চীন, যাদের অর্থনীতির আকার ২৬ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এছাড়া জার্মানি ও ভারতের মধ্যে তৃতীয় স্থানের জন্য হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালে জার্মানির জিডিপি হবে প্রায় ৬ দশমিক ১৭৮ ট্রিলিয়ন ডলার এবং ভারতের অর্থনীতি দাঁড়াতে পারে ৬ দশমিক ১৭৩ ট্রিলিয়ন ডলারে। ফলে দুই দেশের মধ্যে ব্যবধান থাকবে মাত্র ৫ বিলিয়ন ডলার। তবে বর্তমান প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে শেষ পর্যন্ত ভারত নামমাত্র জিডিপির হিসাবে জার্মানিকে ছাড়িয়ে যেতে পারে। এশিয়ার বৃহৎ অর্থনীতিগুলোর মধ্যে চীনের পর থাকবে ভারত। এরপর জাপানের অবস্থান, যেখানে ২০৩০ সালে দেশটির জিডিপি প্রায় ৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এ তালিকায় এরপর থাকবে দক্ষিণ কোরিয়া ও ইন্দোনেশিয়া—যাদের অর্থনীতির আকার যথাক্রমে প্রায় ২ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ও ২ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলার হতে পারে। আইএমএফের এই পূর্বাভাসে আফগানিস্তান, বলিভিয়া, কিউবা, ইরিত্রিয়া, লেবানন, উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, সিরিয়া ও ভেনেজুয়েলার তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। উল্লেখ্য যে, একটি দেশের ভেতরে নির্দিষ্ট এক বছরে উৎপাদিত সব পণ্য ও সেবার মোট আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি বলা হয়। সাধারণত যেসব দেশের জিডিপি তুলনামূলকভাবে বেশি, সেসব দেশকে বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হিসেবে গণ্য করা হয়। SHARES অন্যান্য বিষয়: অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিআইএমএফজিডিপিবাংলাদেশ অর্থনীতি২০৩০ সাল