রংপুরে চার খুনের ঘটনায় ডিবি হেফাজতে সিদ্ধার্থের বাবা ও ভাই

প্রকাশিত: ১১:৩৬ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৯, ২০২৬

রংপুর নগরের মাসুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার আলোচিত ঘটনায় এবার গ্রেপ্তারকৃত সিদ্ধার্থ দাসের বাবা ও ভাইকে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়।

এর আগে, এই হত্যা মামলায় অভিযুক্ত দুই যুবক মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা রংপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রফিকুল ইসলামের কাছে নিজেদের দায় স্বীকার করেন। পরবর্তী সময়ে তৎকালীন রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ এক সংবাদ সম্মেলনে এই জবানবন্দির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেন।

পুলিশ কমিশনার জানান, ঘটনার দিন ভোরে বাড়ির ছাদে হাঁটাহাঁটি করার সময় গণপতি চক্রবর্তী অভিযুক্ত মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থকে ইয়াবা সেবন করতে দেখেন। তিনি তাদের ধমক দিলে ইয়াবা সেবনের বিষয়টি জানাজানি হওয়ার ভয়ে দুই অভিযুক্ত তাকে হত্যা করেন। তবে পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ স্পষ্ট করেছেন যে, ফরেনসিক, ময়নাতদন্ত ও জবানবন্দি অনুযায়ী ওই ঘটনায় নিহত মা ও মেয়ে ধর্ষণের শিকার হননি।

উল্লেখ্য, গত শনিবার রাতে রংপুর নগরের কামালকাছনা এলাকার একটি তিনতলা বাড়ি থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) এবং ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী (১৩)।