ইরানের শান্তি প্রস্তাব ট্রাম্পের প্রত্যাখ্যান, বাড়ল তেলের দাম প্রকাশিত: ১২:৩০ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬ সামরিক সংঘাতের অবসান এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরানের একটি প্রস্তাব মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আবারও উর্ধ্বমুখী হয়েছে। সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সময় সকাল পৌনে ৭টার দিকে ব্রেন্ট ক্রুডের ভবিষ্যৎ সরবরাহের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৫ দশমিক ৬৪ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৩ দশমিক ১১ ডলারে দাঁড়ায়। এর আগে গত সপ্তাহে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ইরান সামরিক সংঘাতের অবসান ও হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার শান্তি উদ্যোগের কথা জানিয়েছিল। তেহরান নিশ্চিত করেছে যে, কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে এই প্রস্তাবটি ওয়াশিংটনে পাঠানো হয়েছিল। শনিবার ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের কথা জানান। তবে রোববার অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, চলতি সপ্তাহে মার্কিন আলোচকরা ইরানের সঙ্গে আরও আলোচনা চালিয়ে যাবেন। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত সপ্তাহে ব্রেন্টের দাম শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ হতে পারে—এমন খবরে ডব্লিউটিআইয়ের দাম ৭ দশমিক ৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল। এমন পদক্ষেপ নেওয়া হলে মার্কিন তেল শোধনাগারগুলোর উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোতে সরবরাহ বৃদ্ধির ফলে সেপ্টেম্বরে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি দৈনিক ১ কোটি ২৮ লাখ ব্যারেলে উন্নীত হয়েছে। কেপলারের প্রাথমিক জাহাজ চলাচলসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর পর এটিই সর্বোচ্চ রপ্তানি। মূলত হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল বৃদ্ধি পাওয়ায় এই রপ্তানি বেড়েছে এবং চলতি মাসে এখান দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৭৪ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহনের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া সৌদি আরব লোহিত সাগরের ইয়ানবুর পরিবর্তে পূর্বাঞ্চলের রাস তানুরা টার্মিনাল দিয়ে তেল রপ্তানি বাড়িয়েছে, যা সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। SHARES আন্তর্জাতিক বিষয়: আন্তর্জাতিক বাজারইরানজ্বালানি তেলডোনাল্ড ট্রাম্পতেলের-দাম