রেল প্রকৌশলী আনোয়ারুলের বিরুদ্ধে ফের অপপ্রচারের ষড়যন্ত্র

প্রকাশিত: ২:০৩ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৫, ২০২৬

বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক প্রকৌশলী মো. আনোয়ারুল ইসলামকে লক্ষ্য করে আবারও এক সংঘবদ্ধ চক্র ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে। দুই বছর আগে ২০২৪ সালে তার বিরুদ্ধে একটি মহল মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন প্রচার করেছিল। সেসময় প্রকৌশলী আনোয়ারুল সরাসরি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের কাছে প্রকৃত ব্যাখ্যা উপস্থাপন করলে ষড়যন্ত্রের বিষয়টি স্পষ্ট হয়। সত্যতা যাচাইয়ের পর একাধিক গণমাধ্যম তাদের প্রকাশিত প্রতিবেদন প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয়েছিল। এরপর দীর্ঘদিন চক্রটি নিষ্ক্রিয় থাকলেও বর্তমানে তারা আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, রেলওয়ে থেকে অনৈতিক সুবিধা না পাওয়ার আক্রোশ থেকে একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী প্রকৌশলী আনোয়ারুলকে সামাজিকভাবে হেনস্তা করার জন্য মাঠে নেমেছে। চক্রটি পুরনো সেই বাতিল করা প্রতিবেদনের তথ্যগুলো পুনরায় ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফটোকার্ড প্রচার করছে। এমনকি এই পুরনো তথ্যের কপি-পেস্ট করা প্রতিবেদন দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও পাঠানো হচ্ছে। অধিকাংশ গণমাধ্যম দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে বিষয়টির সত্যতা যাচাই করায় প্রতিবেদনগুলো প্রকাশ থেকে বিরত রয়েছে।

এ বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে প্রকৌশলী মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়েতে কর্মকর্তা সংকটের কারণে সম্পূর্ণ প্রশাসনিক প্রয়োজনে আমাকে একাধিক পদের দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে। এটি প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের অংশ, ব্যক্তিগত কোনো ইচ্ছা নয়। তিনি আরও বলেন, দুই বছর আগে তারা ব্যর্থ হওয়ার পর এখন আবার মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে। সাবেক মন্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা কিংবা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় সুবিধা নেওয়ার মতো ভিত্তিহীন গল্প ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, যার কোনো প্রমাণ তাদের কাছে নেই।

দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, প্রভাবশালী এই চক্রটি তার বিরুদ্ধে বারবার দুর্নীতির অভিযোগ তুলছে, অথচ কর্তৃপক্ষ অনুসন্ধান করে এসবের কোনো সত্যতা পায়নি। প্রকৌশলী আনোয়ারুল আক্ষেপ করে বলেন, সাংবাদিকতার মূল কাজ অনিয়ম-দুর্নীতি উন্মোচন করা, কিন্তু কোনো প্রকার যাচাই-বাছাই না করে শুধু একজনের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সংবাদ পরিবেশন করা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিপন্থী।