ডাকযোগে দুবাইয়ের নিষিদ্ধ ক্রিম ও লিকুইড উদ্ধার প্রকাশিত: ৯:১৯ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১২, ২০২৬ সমুদ্রবন্দরে কড়াকড়ি এড়াতে এবার ডাক বিভাগের মাধ্যমকে ব্যবহার করছে চোরাকারবারিদের একটি চক্র। দুবাই থেকে ডাকযোগে আসা প্রায় এক টন ওজনের আমদানি নিষিদ্ধ রং ফর্সাকারী ক্রিম ও ই-সিগারেটের লিকুইডের একটি বিশাল চালান জব্দ করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। এই চালানের বাজারমূল্য কোটি টাকারও বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম বন্দরের ৩ নম্বর ফটক সংলগ্ন ফকিরহাট এলাকার একটি ডাকঘরে অভিযান চালিয়ে পণ্যগুলো উদ্ধার করা হয়। কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, দুবাই থেকে পাঠানো এই চালানটি প্রথমে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। সেখান থেকে রেলপথ বা ট্রেনে করে পণ্যগুলো চট্টগ্রামে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে ডাক বিভাগের নিজস্ব গাড়িতে করে এগুলো বন্দর সংলগ্ন ওই ডাকঘরে নেওয়া হলে কাস্টমস কর্মকর্তারা অভিযান পরিচালনা করেন। ডাকঘরের ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে মোট ২৯টি কার্টনে ১৯ হাজার ৬৯১ পিস রং ফর্সাকারী ক্রিম এবং আরও দুটি কার্টনে ১ হাজার ৩৪০ পিস ভ্যাপ লিকুইড বা ই-সিগারেটের তরল পদার্থ পাওয়া যায়। কার্টনগুলো খুলে দেখা যায়, ২৯টি কার্টনের প্রতিটিতে ৬৭৯ পিস করে মোট ১৯ হাজার ৬৯১ পিস আমদানি নিষিদ্ধ রং ফর্সাকারী ক্রিম রয়েছে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার শরীফ মোহাম্মদ আল আমিন জানান, সমুদ্রবন্দরের মাধ্যমে চোরাচালান ও রাজস্ব ফাঁকি রোধে কাস্টমসের কঠোর নজরদারি রয়েছে। সম্ভবত সেই কঠোরতা এড়াতেই অসাধু চক্রটি ডাকযোগের পথ বেছে নিয়েছে। এর আগেও একই কায়দায় ডাকঘরে নিষিদ্ধ পণ্যের চালান আটকের ঘটনা ঘটেছে। তিনি আরও জানান, বর্তমান চালানের সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। চক্রটিকে শনাক্ত করতে নজরদারি বাড়িয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। SHARES অপরাধ বিষয়: চট্টগ্রাম কাস্টমসচোরাচালানডাকযোগদুবাইনিষিদ্ধ পণ্য