ফ্রান্সে শনিবারের বিক্ষোভ ঘিরে ৭০ হাজার নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন প্রকাশিত: ৭:৩০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৩, ২০২৬ ফ্রান্সে শনিবারের দেশব্যাপী বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সরকার। সহিংসতা, ভাঙচুর এবং সরকারি স্থাপনায় সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ ৭০ হাজার পুলিশ ও জেন্ডারমেরি সদস্য মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, যারা বিক্ষোভের নামে সহিংসতায় জড়াবে, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নুনেজ জানান, জনসমাগমস্থল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত স্থল ও আকাশপথের ইউনিটগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নজরদারি বাড়াতে ড্রোন ও হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে। এছাড়া, যেসব গোষ্ঠী সহিংসতা ছড়াতে পারে বলে গোয়েন্দা তথ্যে পাওয়া গেছে, তাদের ওপর বিশেষ নজরদারি চালানো হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিক্ষোভের আড়ালে সহিংসতা সৃষ্টির কোনো চেষ্টাকেই সরকার নমনীয়ভাবে দেখবে না। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য নিরাপত্তা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। বিক্ষোভের সময় কোনো সহিংসতা ঘটলে দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য কর্তৃপক্ষ বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে ফ্রান্সের প্রতিটি প্রশাসনিক বিভাগে বিশেষ ইউনিট গঠন করা হয়েছে এবং প্যারিস পুলিশ সদর দপ্তরেও একই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এসব ইউনিটের মূল লক্ষ্য হলো গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে আদালতে হাজির করা। ফ্রান্সে বিক্ষোভ রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের একটি পরিচিত অনুষঙ্গ হলেও বড় ধরনের সমাবেশে সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও সরকারি স্থাপনায় হামলার ঝুঁকি থেকে যায়। এ কারণে সরকার আগেভাগেই সতর্কতামূলক এসব ব্যবস্থা নিয়েছে। তবে শনিবারের এই বিক্ষোভের আয়োজক, সুনির্দিষ্ট দাবিদাওয়া বা সম্ভাব্য জনসমাগমের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। সরকারের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো বিক্ষোভকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যেকোনো ধরনের সহিংসতা কঠোর হাতে দমন করা। SHARES আন্তর্জাতিক বিষয়: নিরাপত্তাফ্রান্সবিক্ষোভলরাঁ নুনেজসহিংসতা