সোমবার বসছে জাতীয় সংসদের সংক্ষিপ্ত অধিবেশন, উত্থাপন হতে পারে ৬টি বিল

প্রকাশিত: ৭:৩২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৮, ২০২৬

সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রক্ষায় আগামী সোমবার থেকে জাতীয় সংসদের নতুন অধিবেশন শুরু হচ্ছে। ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৫ পিএম-এ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সংবিধানের নিয়মানুযায়ী এক অধিবেশন শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে পরবর্তী অধিবেশন আহ্বান করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত ১৪ অক্টোবর সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় দেওয়া ক্ষমতাবলে এই অধিবেশন আহ্বান করেন। অধিবেশন শুরুর যাবতীয় প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে সংসদ সচিবালয়।

প্রস্তাবিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ২০ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ১০ কার্যদিবস চলতে পারে এই অধিবেশন। জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি রোববার নিশ্চিত করেছেন যে এবারের অধিবেশনটি সংক্ষিপ্ত রাখা হচ্ছে। আগামী বছরের জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে সংসদের পরবর্তী অর্থাৎ ২০২৭ সালের প্রথম অধিবেশন আহ্বানের আইনি বাধ্যবাধকতা থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংক্ষিপ্ত হলেও অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্ব, জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশ ও সাধারণ আলোচনা বহাল থাকবে। পাশাপাশি পাঁচ থেকে ছয়টি বিল উত্থাপন ও আলোচনার জন্য আসতে পারে বলে তিনি জানান।

রেওয়াজ অনুযায়ী প্রতি বছর জানুয়ারি মাসে বছরের সূচনা অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সে অনুযায়ী আগামী জানুয়ারি মাসে বসতে যাওয়া ২০২৭ সালের প্রথম অধিবেশনে অধিবেশনের প্রথম দিনই রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভাষণ দেবেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতির সেই ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নেবেন সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।

এদিকে চলমান ও জনগুরুত্বসম্পন্ন নানা বিষয়ে পূর্বনির্ধারিত সূচির বাইরেও আলোচনার সুযোগ থাকতে পারে। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে এ ধরনের ইস্যুতে সাধারণ আলোচনার প্রস্তাব এলে তার ওপর সুনির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ করে আলোচনা হতে পারে বলে সংসদ সূত্রে জানা গেছে। তবে বহুল আলোচিত সংবিধান সংশোধনের কোনো প্রস্তাব এই অধিবেশনে উপস্থাপন করা হচ্ছে না। সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, কমিটি বর্তমানে প্রস্তাব তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী জানুয়ারি মাসে সংসদের পঞ্চম অধিবেশনে এই সংশোধন প্রস্তাব উপস্থাপন করার পরিকল্পনা রয়েছে।