৪৭ বছর বয়সে দ্বিতীয়বার মা হলেন চীনা অভিনেত্রী তাং ওয়েই

প্রকাশিত: ২:০০ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৫, ২০২৬

৪৭ বছর বয়সে দ্বিতীয়বার মা হয়েছেন চীনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাং ওয়েই। বুধবার তাঁর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সুখবরের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। পুত্রসন্তানের জন্ম দেওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছেন এই অভিনেত্রী। অনেকেই নবজাতককে স্বাগত জানিয়ে তাং ওয়েই ও তাঁর পরিবারের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।

তাং ওয়েইয়ের প্রতিনিধির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার চলচ্চিত্র পরিচালক কিম তে-ইয়ং ও তাং ওয়েই দম্পতির এটি দ্বিতীয় সন্তান। বুধবার চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম উইচ্যাট মোমেন্টসে তাং ওয়েই একটি ছবি পোস্ট করেন, যেখানে পরিবারের চার সদস্যের হাত ধরে থাকার দৃশ্য ফুটে উঠেছে। কিম তে-ইয়ংয়ের আঁকা একটি ঘোড়াশাবকের ছবিও সেখানে ছিল, যা নবজাতককে উৎসর্গ করা হয়েছে। নিজের প্রথম সন্তান সামারের কথা উল্লেখ করে তাং ওয়েই লিখেছেন, ‘এখন আমাদের চার সদস্যের পরিবারের যাত্রা শুরু হলো।’

এর আগে বেশ কয়েক মাস ধরেই তাঁর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন চলছিল। চলতি বছরের এপ্রিলে সাংহাইয়ে একটি বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের অনুষ্ঠানে বেবি বাম্পসহ দেখা যাওয়ার পর বিষয়টি সামনে আসে। পরবর্তীতে স্বামী কিম তে-ইয়ং ও মেয়ে সামারের সঙ্গে পারিবারিক ছবি প্রকাশ করে তিনি নিশ্চিত করেছিলেন যে, তাঁদের পরিবারে নতুন সদস্য যোগ দিচ্ছে। তখন তাং লিখেছিলেন, ‘আমরা খুবই খুশি। আমাদের পরিবারে নতুন একজন সদস্য যোগ দিচ্ছে। সবাই শিশুটির সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায় আছে।’ গত মাসে হংকংয়ে এই দম্পতিকে একসঙ্গে দেখার পর সন্তান জন্মের বিষয়টি নিয়ে অনলাইনে আলোচনার সৃষ্টি হয়।

১৯৭৯ সালে চীনে জন্মগ্রহণ করা তাং ওয়েই ২০০৪ সালে অভিনয়ে পা রাখেন। ২০১০ সালের চলচ্চিত্র ‘লেট অটাম’-এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খ্যাতি পান তিনি। এই সিনেমার শুটিংয়ের সময় দক্ষিণ কোরিয়ার পরিচালক কিম তে-ইয়ংয়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়, যা পরে প্রেমে রূপ নেয় এবং ২০১৪ সালে এই দম্পতি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ২০১৬ সালে তাঁদের প্রথম কন্যাসন্তান সামারের জন্ম হয়। প্রায় এক দশক পর তাঁদের পরিবারে এল দ্বিতীয় সন্তান। পরিচালক কিম তে-ইয়ং ‘লেট অটাম’সহ একাধিক প্রশংসিত চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য পরিচিত। আর অভিনয়জীবনে তাং ওয়েই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন চীনের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের অন্যতম আলোচিত অভিনেত্রী হিসেবে।