ভারতে বসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে পারবেন না শেখ হাসিনা প্রকাশিত: 1:30 PM, July 31, 2026 ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশটির মাটি ব্যবহার করে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবেন না বলে ভারতীয় সংসদের একটি স্থায়ী কমিটিকে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, শশী থারুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভারতের সংসদীয় পররাষ্ট্রবিষয়ক স্থায়ী কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে এই বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শেখ হাসিনাকে ভারতে অবস্থানের সুযোগ দেওয়া হয়েছে দেশটির মানবিক ঐতিহ্য এবং সংকটাপন্ন ব্যক্তিদের আশ্রয় দেওয়ার দীর্ঘদিনের নীতির আলোকে। তবে একই সঙ্গে ভারত কঠোরভাবে এই নীতি অনুসরণ করছে যে, তাদের ভূখণ্ড থেকে অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা যাবে না। ‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে কমিটি সরকারকে মানবিক ও নীতিনিষ্ঠ অবস্থান বজায় রাখার পাশাপাশি সংবেদনশীল পরিস্থিতি সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনার সুপারিশ করেছে। বৈঠকে সম্প্রতি শেখ হাসিনার চলতি বছরের শেষ নাগাদ বাংলাদেশে ফেরার সম্ভাবনার বিষয়টি আলোচনায় আসে। এসময় বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী এম আসাদুজ্জামান জানান, শেখ হাসিনা ভারত থেকে দেশে ফিরলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেফতার করা হতে পারে। অন্যদিকে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কমিটিকে জানিয়েছে, শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে ঢাকার পাঠানো অনুরোধ দেশটির প্রচলিত আইন ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পর্যালোচনা করছে। এ ছাড়া সংসদীয় কমিটি বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য দ্রুত স্বাভাবিক ভিসা কার্যক্রম চালুর আহ্বান জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিসা প্রক্রিয়াকরণ কমে যাওয়ায় দুই দেশের জনগণের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে, যা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পর্যটক ভিসা স্থগিত করার প্রায় দুই বছর পর, ২০২৬ সালের ২৮ জুন ভারত বাংলাদেশিদের জন্য পুনরায় পর্যটক ভিসা চালু করে। SHARES আন্তর্জাতিক বিষয়: নরেন্দ্র মোদিপররাষ্ট্রনীতিবাংলাদেশভারতশেখ হাসিনা