জর্ডানে মার্কিন সেনা নিহতের জেরে ইরানে ব্যাপক বিমান হামলা

প্রকাশিত: ১১:৩৬ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১৯, ২০২৬

জর্ডানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহতের ঘটনার প্রতিশোধ নিতে ইরানে ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) নিশ্চিত করেছে। ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকায় এই হামলার পর ব্যাপক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরানের স্থানীয় সময় রোববার (১৯ জুলাই) রাত দেড়টা থেকে নতুন এই বিমান হামলা শুরু হয়। মূলত ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) লক্ষ্যবস্তুগুলোকে নিশানা করে এই অভিযান চালানো হচ্ছে। মার্কিন বাহিনীর দাবি, এই হামলার উদ্দেশ্য হলো হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে ইরানের হুমকি দেওয়ার সক্ষমতা দুর্বল করে দেওয়া এবং জর্ডানে মার্কিন সেনাদের ওপর হামলা চালানো আইআরজিসি সদস্যদের দ্রুত শাস্তি দেওয়া।

এর আগে, গত শুক্রবার (১৭ জুলাই) জর্ডানে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করার সময় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ও তাদের মিত্র বাহিনীর অভিযানের সময় দুই মার্কিন সেনা নিহত হন। ওই হামলায় আরও কয়েকজন সেনা আহত হন এবং একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। সেন্টকম জানিয়েছে, জর্ডানের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন চার মার্কিন সেনাকে ইতিমধ্যে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে এবং সামান্য আহত অন্য সেনারা সুস্থ হয়ে আবার নিজেদের দায়িত্বে ফিরে গেছেন।

বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার (১৮ জুলাই) ট্রাম্পের নির্দেশ পাওয়ার পর মার্কিন বাহিনী এই হামলা শুরু করে। রোববার ভোরে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় কেশম দ্বীপে অন্তত ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। একই সময়ে বন্দর আব্বাস নামের একটি দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরীতেও বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।