আরজিকর কাণ্ডে স্বাস্থ্য দপ্তরের আলাদা তদন্তের ঘোষণা প্রকাশিত: ১:০১ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৯, ২০২৬ কলকাতার আরজিকর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট রাতে কর্তব্যরত অবস্থায় এক নারী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুন করা হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনার দুই বছর পূর্তিতে প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে নির্যাতিতাকে স্মরণ করা হয়েছে। রবিবার রাজ্যের সব সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও প্রতিষ্ঠানে প্রদীপ জ্বালিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এবং দুই মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এদিকে, এই ঘটনায় রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর নিজস্ব উদ্যোগে আলাদাভাবে তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, শনিবার এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, ঘটনার আগে ও পরে যারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন, তাদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এছাড়া নির্যাতিতার অধ্যাপকদের সঙ্গেও কথা বলা হবে। তদন্তের মূল উদ্দেশ্য হলো হাসপাতালের পরিকাঠামোয় কী কী ত্রুটি ছিল এবং পরে তা কীভাবে পূরণ করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা। এই তদন্তের ফলাফল কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআইকে জানানো হবে। উল্লেখ্য, আরজিকর কাণ্ডের তদন্ত শুরুতে কলকাতা পুলিশ করলেও পরবর্তীতে হাইকোর্টের নির্দেশে তা সিবিআইয়ের হাতে ন্যস্ত হয়। কলকাতা পুলিশ মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে গ্রেপ্তার করেছিল, যে বর্তমানে দোষী সাব্যস্ত এবং যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত। সিবিআই চার্জশিটে সঞ্জয়কেই একমাত্র অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করলেও নির্যাতিতার পরিবার তদন্তে অসন্তুষ্ট ছিল। হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই নতুন করে তদন্ত শুরু করে এবং একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করে। সম্প্রতি শিয়ালদহ আদালতে সিবিআই তাদের স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিয়েছে। সেখানে জানানো হয়েছে, মামলার তদন্তকারী অফিসার (আইও) পরিবর্তন করা হয়েছে। সীমা পাহুজার জায়গায় নতুন আইও হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সন্দীপনি গর্গ। সিবিআইয়ের যুগ্ম ডিরেক্টর অনুরাগ কুমারের নেতৃত্বে নতুন তদন্তকারী দল ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং পানিহাটি শ্মশানেও তদন্তের প্রয়োজনে গিয়েছে। SHARES অন্যান্য বিষয়: আরজিকরতদন্তনারী চিকিৎসকসিবিআইস্বাস্থ্য দপ্তর