এস আলম ও পি কে হালদারসহ ১৩ জনের মামলায় আরও তিনজনের সাক্ষ্য

প্রকাশিত: ৫:০১ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৯, ২০২৬

৩৪ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে করা দুর্নীতি মামলায় এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ওরফে এস আলম এবং রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের (বর্তমানে আভিভা ফাইন্যান্স লিমিটেড) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে আরও তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এই সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া তিনজন হলেন আভিভা ফাইন্যান্স লিমিটেডের এমডি ও সিইও মোহাম্মদ মোদাচ্ছের হাসান, যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরের সহকারী নিবন্ধক অন্তত কুমার পাল এবং আভিভা ফাইন্যান্সের ডিপোজিট অপারেশনসের এভিপি ও হেড অব সিআরএম মিদহাত আজিজ। এদিন সাক্ষীদের মধ্যে মিদহাত আজিজের জেরা সম্পন্ন হয়েছে। অপর দুই সাক্ষীর জেরা আগামী ৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এই মামলার মোট ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৪ জনের সাক্ষ্য নেওয়া শেষ হয়েছে।

গত ১৯ জানুয়ারি একই আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেয়। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১৩ সালের ৮ আগস্ট নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান 'এ এম ট্রেডিং'-এর নামে ৩৪ কোটি টাকার একটি মেয়াদি ঋণ অনুমোদন করে এবং ৯ সেপ্টেম্বর তা বিতরণ করে। পরবর্তীতে এই অর্থ এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেডে স্থানান্তর করা হয়।

এই ঘটনায় গত বছরের ২ জুলাই দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ১৬ অক্টোবর তিনি ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ হাসান ও শাহানা ফেরদৌস, রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের সাবেক ইভিপি রাশেদুল হক, সাবেক ম্যানেজার নাহিদা রুনাই, সাবেক এসভিপি কাজী আহমেদ জামাল, সাবেক ডেপুটি ম্যানেজার জুমারাতুল বান্না এবং মারিন ভেজিটেবল অয়েলসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহির আহমেদ, পরিচালক টিপু সুলতান, মো. ইসহাক ও মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। আসামিদের মধ্যে নাহিদা রুনাই ও রাশেদুল হক বর্তমানে কারাগারে আছেন এবং অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছেন। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়।