সৌদি যুবরাজের কাছে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি হস্তান্তর করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রকাশিত: ১১:৪২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৭, ২০২৬ জেদ্দায় ২৩তম ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিশেষ পরিষদের বৈঠকের ফাঁকে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাতে প্রতিমন্ত্রী সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের কাছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি চিঠি হস্তান্তর করেন। সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিবাচক গতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে এবং দুই দেশের অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে। প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির উল্লেখ করেন যে, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের পর থেকে দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি উচ্চ পর্যায়ের সফর হয়েছে, যা বিভিন্ন খাতে সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। তিনি অদূর ভবিষ্যতে উভয় পক্ষের মধ্যে আরও সম্ভাব্য উচ্চ পর্যায়ের সফরের ইঙ্গিত দেন। সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশকে সৌদি আরবের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দেশগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বাংলাদেশে সৌদি কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সৌদি আরবের উন্নয়নে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানেরও প্রশংসা করেন। বৈঠকে সৌদি আরবের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ওয়ালিদ আবদুল করিম আল-খারেজি, ওআইসিতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এবং উভয় দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে গত ৭ আগস্ট থেকে একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি কার্যকর হয়েছে, যা ‘মক্কা চুক্তি’ হিসেবে পরিচিত। এই চুক্তি অনুযায়ী, স্বাক্ষরকারী তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা বাকি সব দেশের ওপরও হামলা হিসেবে গণ্য হবে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এ বিষয়ে বলেন, এটি মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার একটি ব্যবস্থা এবং বাংলাদেশ এটিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। তিনি আরও জানান, এই চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়টি সদস্য দেশগুলোর অভিপ্রায়ের ওপর নির্ভরশীল। যদি ওই তিন দেশ বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করতে আগ্রহী হয়, তবে বাংলাদেশ বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, এটি মুসলিম পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয়, তাই এটি নিয়ে অন্য কারো উদ্বেগের অবকাশ নেই। SHARES জাতীয় বিষয়: তারেক-রহমানপররাষ্ট্রনীতিমক্কা চুক্তিমোহাম্মদ বিন সালমানসৌদি-আরবহুমায়ুন কবির