জয়পুরহাটে মাদ্রাসার নিয়োগ পরীক্ষায় আগেই চূড়ান্ত প্রার্থী, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী প্রকাশিত: ৩:৩২ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬ জয়পুরহাট সদর উপজেলার গতন শহর দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসার অফিস সহায়ক ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী পদের নিয়োগ পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশ্ন তুলেছেন। অভিযোগ উঠেছে, পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগেই এই দুই পদের জন্য কারা নিয়োগ পাচ্ছেন, তা নির্ধারিত ছিল। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পরীক্ষাটি ছিল কেবল একটি নিয়ম রক্ষার আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি দুটি পদের জন্য বিজ্ঞপ্তি দিলে মোট ১১ জন প্রার্থী আবেদন করেন। যাচাই-বাছাইয়ের পর তিনজনের আবেদন বাতিল হয় এবং বাকি আটজন প্রার্থী গতকাল শনিবার দুপুরে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেন। তবে পরীক্ষা শুরুর আগেই স্থানীয় কয়েকজন মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। স্থানীয় বাসিন্দা সালমান বিন মৃদুল অভিযোগ করেন যে, শাওন হোসেন ও আবদুল্লাহ আল মামুনকে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল। বিকেলে ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায়, পরিচ্ছন্নতাকর্মী পদে শাওন হোসেন এবং অফিস সহায়ক পদে আবদুল্লাহ আল মামুনই নির্বাচিত হয়েছেন। স্থানীয় মোস্তাক হোসেন, আবু সুফিয়ান ও জুয়েল হোসেন জানান, যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ না দিয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের স্বজনদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যার প্রতিবাদেই তাঁরা বিক্ষোভ করেছিলেন। নিয়োগ পাওয়া শাওন হোসেন পুরানাপৈল ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরমান হোসেনের ভাই এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আলমগীর হোসেনের চাচা। এদিকে আলমগীরের আপন ভাই গোলাম কিবরিয়া মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি এবং তিনিই নিয়োগ বোর্ডের প্রধান ছিলেন। আত্মীয়কে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে গোলাম কিবরিয়া দাবি করেন, নিয়োগ পরীক্ষা স্বচ্ছ ও সুন্দরভাবে শেষ হয়েছে। মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট আবদুস ছালাম অনিয়মের সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, সব নিয়ম মেনেই পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি আগে থেকে জানাজানি হওয়াটা নিছক কাকতালীয়। অন্যদিকে, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। SHARES জাতীয় বিষয়: অনিয়মগতন শহর মাদ্রাসাজয়পুরহাটনিয়োগ পরীক্ষামাদ্রাসা