নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৮৯ প্রকাশিত: ৪:০১ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৮, ২০২৬ নেপাল-তিব্বত সীমান্ত অঞ্চলে ভয়াবহ আকস্মিক ঢলে প্রাণহানির সংখ্যা আরও বেড়েছে। নেপালের পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮৯ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। দুর্যোগের ৪৮ ঘণ্টা পার হওয়ার পর এই নতুন তথ্য সামনে এল। এর আগে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে তিব্বত অঞ্চলে পাঁচজন মারা যাওয়ার খবর জানানো হয়েছিল। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ভয়াবহ দুর্যোগে শত শত বিদেশি নাগরিকসহ ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। চীনের রাষ্ট্রীয় মাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, শুধু তিব্বতেই ৫৫৮ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। রেডক্রসের একজন কর্মকর্তা বিবিসিকে জানিয়েছেন, যে এলাকাগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে, সেখানে দ্বিতীয় দফায় বন্যা আঘাত হানতে পারে এমন আশঙ্কায় উদ্ধারকর্মীরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন ও সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন। বেইজিং থেকে বিবিসির সাংবাদিক লরা বিকার জানিয়েছেন, চীন-নেপাল সীমান্তের কাছে পানি জমে একটি হ্রদ সৃষ্টি হয়েছে এবং সেই হ্রদের পানি উপচে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। রয়টার্স ও কাঠমান্ডু পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, বিজ্ঞানীরা স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ করে দুর্যোগের কারণ সম্পর্কে জানিয়েছেন। নেপালের লাংটাং লিরুং পর্বতের উত্তর ঢাল থেকে বিপুল পরিমাণ বরফ ও পাথর ধসে লহেন্দেখোলা নদীতে পড়েছিল। এর ফলে নদীর প্রবাহ সাময়িকভাবে আটকে গিয়ে একটি প্রাকৃতিক বাঁধের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে সেই বাঁধ ভেঙে পানি, বরফ, পাথর ও কাদার প্রবল স্রোত ভাটির দিকে নেমে আসে, যা এই ভয়াবহ বন্যার কারণ। SHARES আন্তর্জাতিক বিষয়: তিব্বতদুর্যোগনিখোঁজনেপালবন্যা