বাংলাদেশের পেস বোলিং নিয়ে সতর্ক দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক বাভুমা প্রকাশিত: ২:০৬ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৯, ২০২৬ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয়ের পর দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ—শিরোপা ধরে রাখা। এই লক্ষ্য নিয়ে ঘরের মাঠে একের পর এক শক্ত প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হবে প্রোটিয়ারা। ব্যস্ত সূচির এই তালিকায় বাংলাদেশের নামও রয়েছে। সিরিজ শুরুর অনেক আগেই বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ নিয়ে নিজের সতর্কতার কথা জানিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। বিশেষ করে বাংলাদেশের পেস বোলিং ইউনিটকে বেশ সমীহ করছেন বাভুমা। নাহিদ রানা ও শরীফুল ইসলামদের নেতৃত্বাধীন এই বোলিং আক্রমণ যে তাদের মাঠে চাপে ফেলতে পারে, তা প্রোটিয়া অধিনায়ক অকপটে স্বীকার করেছেন। বাংলাদেশের বোলিং নিয়ে তার মূল্যায়ন হলো, 'বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ ভালো এবং তারা অবশ্যই আমাদের চাপে রাখবে।' দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য এই টেস্ট সিরিজটি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নতুন চক্রের অংশ। এর আগে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া এবং পরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ খেলবে তারা। ৯ অক্টোবর ডারবানের কিংসমিডে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে তাদের এই ব্যস্ত সূচি শুরু হবে। এরপর সেন্ট জর্জেস পার্ক ও কেপটাউনের নিউল্যান্ডসে হবে সিরিজের বাকি দুটি টেস্ট। অস্ট্রেলিয়া পর্ব শেষ করেই বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা। সিরিজের প্রথম টেস্ট জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্সে এবং দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরিয়নের সুপারস্পোর্ট পার্কে অনুষ্ঠিত হবে। ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের মধ্য দিয়ে এই কঠিন পরীক্ষা শেষ হবে। বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের দিকেও নজর রাখছেন বাভুমা। তিনি জানান, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের ম্যাচ এবং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচটি তিনি দেখেছেন। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের জয় এবং অস্ট্রেলিয়ার ঘুরে দাঁড়ানোর সামর্থ্য নিয়েও তিনি মন্তব্য করেছেন। তবে প্রতিপক্ষের চেয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার নিজেদের অবস্থানের ওপরই বাভুমা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। গত জুন মাসে লর্ডসে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জেতার পর থেকে প্রতিপক্ষদের কাছে দক্ষিণ আফ্রিকার গুরুত্ব বদলে গেছে। এ প্রসঙ্গে বাভুমা বলেন, 'আমাদের ওপর টার্গেট আছে—এভাবে বললে যদি বলা যায়। এখন যারা দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলবে, তারা বিশ্বের এক নম্বর দলের দলের বিপক্ষে নিজেদের সামর্থ্য পরীক্ষা করতে চাইবে। যদি কোনো চাপ থাকে, সেটা হলো সেই চাপের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া এবং তা সামলে নিজেদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারা।' শিরোপা জয়ের পর দক্ষিণ আফ্রিকা এখন শিকারি থেকে শিকারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। বাভুমার কথায় এটি স্পষ্ট যে, বাংলাদেশকেও তারা সেই বড় পরীক্ষার অংশ হিসেবেই দেখছে। নভেম্বরে যখন দুই দল মুখোমুখি হবে, তখন বাভুমার দলের জন্য বাংলাদেশের ব্যাটারদের পাশাপাশি নাহিদ ও শরীফুলদের সামলানোও হবে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। SHARES খেলাধুলা বিষয়: টেম্বা বাভুমাদক্ষিণ আফ্রিকানাহিদ রানাবাংলাদেশ-ক্রিকেটশরীফুল ইসলাম