চীন থেকে কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ইরান প্রকাশিত: 2:01 PM, July 29, 2026 যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সাথে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নিজেদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে চীন থেকে শত শত কাঁধে বহনযোগ্য বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহ করছে ইরান। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ৬ কোটি থেকে ৭ কোটি ডলার মূল্যের এই চুক্তির প্রথম চালানটি আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তেহরানে এসে পৌঁছাবে। চুক্তির আওতায় ইরান ৩ থেকে ৪ শোল্ডার-লঞ্চড এয়ার-ডিফেন্স সিস্টেম বা কাঁধে বহনযোগ্য বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনছে। এর মধ্যে রয়েছে চীনের তৈরি কিউডব্লিউ-১২ এবং এফএন-১৬ মডেলের ক্ষেপণাস্ত্র। হংকং-ভিত্তিক মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান ‘ঝংচিং বাওশাং ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট’-এর মাধ্যমে এই বাণিজ্যিক চুক্তিটি সম্পন্ন হয়েছে। এই ইনফ্রারেড-গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্রগুলো অত্যন্ত বহনযোগ্য হওয়ায় এগুলোকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়া সহজ, যা শত্রুপক্ষের জন্য ধ্বংস করা চ্যালেঞ্জিং। পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই চালানটি চীনের উরুমচি থেকে পাকিস্তানের আকাশ বা সড়ক পথ হয়ে ইরানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তবে এই ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের বিষয়টি চীন ও পাকিস্তান উভয় দেশই অস্বীকার করেছে। বেইজিংয়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই প্রতিবেদন সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং তারা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জনসংযোগ শাখা এই প্রক্রিয়ায় তাদের সম্পৃক্ততার কথা সরাসরি নাকচ করে একে বানোয়াট ও মিথ্যা বলে দাবি করেছে। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মার্কিন ও ইসরাইলি বিমান হামলায় ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বিমান প্রতিরক্ষা অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গত এপ্রিলে যুদ্ধবিরতির চেষ্টা এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সাময়িক বোমাবর্ষণ বন্ধের ঘোষণার পরও শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হলে হামলার হুমকি বহাল রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে স্বল্প পাল্লার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত জোরদার করতেই ইরান চীন থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহের ওপর জোর দিচ্ছে। SHARES আন্তর্জাতিক বিষয়: ইরানক্ষেপণাস্ত্রচীনতেহরানপ্রতিরক্ষা